৭/৩. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২৬৪ - বিতরের সঠিক সময় বাছাই
বিতর (নামায)-এর নির্দেশ
বিতর নামায কখন পড়বেন: ঘুমের আগে না শেষ রাতে?
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২৬৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ২৬৪
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَتْ تَقُولُ مَنْ خَشِيَ أَنْ يَنَامَ حَتَّى يُصْبِحَ فَلْيُوتِرْ قَبْلَ أَنْ يَنَامَ وَمَنْ رَجَا أَنْ يَسْتَيْقِظَ آخِرَ اللَّيْلِ فَلْيُؤَخِّرْ وِتْرَهُ.
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ)-এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, যার এ আশঙ্কা থাকে যে, সে ভোর হওয়া পর্যন্ত ঘুমাবে, তবে সে ঘুমের পূর্বেই বিতর আদায় করে নিবে। আর যে ব্যক্তি শেষ রাত্রে উঠবার ভরসা রাখে সে বিতর পরে (শেষ রাত্রে) আদায় করবে।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২৬৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) বিতর নামাযের সময় নিয়ে খুব সহজ একটি নিয়ম বলেছেন। যার ভয় থাকে যে সে ঘুমিয়ে থাকবে এবং ভোর হয়ে যাবে, সে যেন ঘুমানোর আগেই বিতর আদায় করে নেয়। আর যে ব্যক্তি শেষ রাতে উঠার আশা রাখে, সে নিজের বিতর শেষ রাত পর্যন্ত দেরি করতে পারে। এই বর্ণনায় মানুষকে নিজের অবস্থার দিকে তাকাতে শেখানো হয়েছে। কেউ ঘুমকাতুরে হলে আগে বিতর পড়া নিরাপদ। আবার কারো যদি শেষ রাতে উঠার অভ্যাস থাকে, সে তখন পড়তে পারে। এখানে ঘুমের আগে বিতর, শেষ রাতের বিতর এবং ফজরের আগে বিতর আদায়ের বিষয়টি সুন্দরভাবে পরিষ্কার হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভোর পর্যন্ত ঘুমিয়ে যাওয়ার ভয় থাকলে ঘুমের আগে বিতর পড়া উচিত।
- শেষ রাতে উঠার ভরসা থাকলে বিতর পরে আদায় করা যায়।
- নিজের বাস্তব অবস্থার দিকে তাকিয়ে ইবাদতের সময় ঠিক করা দরকার।
- বিতর নামায ফজরের আগে আদায়ের বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।
