৭/৪. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২৭৪ - ঘুমে ছুটে গেলে বিতর
ফজর-এর (সুবহে সাদিক) পর বিতর আদায় করা
ঘুমে বিতর ছুটে গেলে ফজরের পর আদায় করার শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২৭৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ২৭৪
و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَاهُ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ يَقُولُ إِنِّي لَأُوتِرُ بَعْدَ الْفَجْرِ ৪১৭-قَالَ مَالِك وَإِنَّمَا يُوتِرُ بَعْدَ الْفَجْرِ مَنْ نَامَ عَنْ الْوِتْرِ وَلَا يَنْبَغِي لِأَحَدٍ أَنْ يَتَعَمَّدَ ذَلِكَ حَتَّى يَضَعَ وِتْرَهُ بَعْدَ الْفَجْرِ.
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি তাঁর পিতা কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন, আমি ফজরের পর বিতর আদায় করি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহিয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঘুমের কারণে বিতর আদায় করতে পারেনি, সে-ই ফজরের পর বিতর আদায় করতে পারে। ইচ্ছাপূর্বক কারো পক্ষে এরূপ করা ঠিক নয় যে, সে বিতরের নামাজ রেখে দেবে এবং ফজরের পরে আদায় করবে।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২৭৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) বলেন, তিনি ফজরের পর বিতর আদায় করেন। এরপর ইয়াহইয়া (র) ইমাম মালিক (র)-এর ব্যাখ্যা উল্লেখ করেন। মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি ঘুমের কারণে বিতর আদায় করতে পারেনি, সে-ই ফজরের পর বিতর আদায় করতে পারে। তবে কারও জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে বিতর ফজরের পরে রেখে দেওয়া ঠিক নয়। এই হাদিসে খুব পরিষ্কার ভারসাম্য আছে। একদিকে ঘুমে ছুটে গেলে আদায়ের সুযোগের কথা এসেছে। অন্যদিকে ইচ্ছা করে দেরি করার বিষয়ে সতর্কতা আছে। তাই ঘুমে বিতর ছুটে গেলে, ফজরের পর বিতর এবং ইচ্ছাকৃত দেরি—এই তিনটি বিষয় আলাদা করে বোঝা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘুমের কারণে বিতর ছুটে গেলে ফজরের পর আদায়ের সুযোগ বলা হয়েছে।
- ইচ্ছাকৃতভাবে বিতর ফজরের পরে রাখা ঠিক নয় বলে মালিক (র) বলেছেন।
- ইবাদত ছুটে গেলে অবহেলা না করে আদায়ের চেষ্টা করা উচিত।
- কারণ ছাড়া দেরি করা ও অনিচ্ছাকৃতভাবে ছুটে যাওয়া এক বিষয় নয়।
