৭/৪. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২৭১ - ইকামতের সময় বিতর
ফজর-এর (সুবহে সাদিক) পর বিতর আদায় করা
ফজরের ইকামত চললেও বিতর আদায়ের বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২৭১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ২৭১
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ مَسْعُودٍ قَالَ مَا أُبَالِي لَوْ أُقِيمَتْ صَلَاةُ الصُّبْحِ وَأَنَا أُوتِرُ.
আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যদি ফজরের নামাজ আরম্ভ হয়ে যায় এবং আমি তখন বিতর আদায় করতেছি, এতে আমি উৎকণ্ঠা বোধ করি না।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২৭১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর একটি বক্তব্য এসেছে। তিনি বলেন, যদি ফজরের নামাযের ইকামত শুরু হয়ে যায় এবং তিনি তখন বিতর আদায় করতে থাকেন, তাতে তিনি উৎকণ্ঠা বোধ করেন না। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, তাই এখান থেকে বড় কোনো সাধারণ নিয়ম বানানো ঠিক নয়। কিন্তু এতটুকু বোঝা যায়, তাঁর কাছে বিতর নামাযের গুরুত্ব ছিল এবং সে কারণে ইকামত শুরু হলেও তিনি বিতর আদায়ে অস্থির হতেন না। এখানে ইকামতের সময় বিতর, ফজরের নামায এবং সাহাবির আমল—এসব বিষয় এসেছে। একই বিষয়ে অন্য বর্ণনাগুলোতে ঘুমে ছুটে যাওয়া ও ফজরের পর আদায়ের কথাও আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনে মাসউদ (রাঃ)-এর কাছে বিতর নামায গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
- ফজরের ইকামতের সময় বিতর আদায়ের একটি সাহাবি বক্তব্য আছে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত সাধারণ বিধান বানানো ঠিক নয়।
- একই বিষয়ের অন্যান্য বর্ণনার সঙ্গে মিলিয়ে বুঝতে হয়।
