১৭/২৮. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬১১ - প্রতি মুসলিমের উপর এক ছা ফিতরা
সাদকা-ই-ফিতরের পরিমাণ
সাদকা-ই-ফিতর: এক ছা খেজুর বা যবের হাদিস
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৬১১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬১১
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرَضَ زَكَاةَ الْفِطْرِ مِنْ رَمَضَانَ عَلَى النَّاسِ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيْرٍ عَلَى كُلِّ حُرٍّ أَوْ عَبْدٍ ذَكَرٍ أَوْ أُنْثَى مِنْ الْمُسْلِمِيْنَ.
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রমজানে সাদকা-ই-ফিতর হিসেবে নরনারী আযাদ গোলাম প্রতিটি মুসলমানের উপর এক ছা’ করে খেজুর কিংবা যব ধার্য করেছিলেন।
(বুখারী ১৫০৪, মুসলিম ৯৮৪)
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬১১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাদকা-ই-ফিতরের মূল পরিমাণ ও কাদের উপর তা ধার্য, তা খুব পরিষ্কারভাবে এসেছে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বর্ণনা করেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানে সাদকা-ই-ফিতর হিসেবে মানুষের উপর এক ছা খেজুর অথবা এক ছা যব ধার্য করেছিলেন। এটি স্বাধীন ও দাস, পুরুষ ও নারী—প্রত্যেক মুসলমানের জন্য বলা হয়েছে। তাই এই হাদিসের মূল কীওয়ার্ড হলো সাদকা-ই-ফিতর, ফিতরার পরিমাণ এবং এক ছা খেজুর বা যব। এখানে অতিরিক্ত কোনো খাদ্যতালিকা নেই; শুধু খেজুর ও যবের কথা এসেছে। সহজ ভাষায় বলা যায়, রমযান শেষে ফিতরা আদায়ের গুরুত্ব এবং তার নির্দিষ্ট পরিমাণ এই বর্ণনায় সংক্ষেপে তুলে ধরা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফিতরার পরিমাণ এক ছা হিসেবে উল্লেখ হয়েছে।
- খেজুর বা যব দিয়ে ফিতরা দেওয়ার কথা এসেছে।
- স্বাধীন, দাস, পুরুষ ও নারী—প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফিতরার কথা বলা হয়েছে।
