১৮/৪. অধ্যায়ঃ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬২৭ - জানাবত অবস্থায় ফজর ও রোযা

যে ব্যক্তির জানাবত (গোসল ফরয হওয়া) অবস্থায় ফজর হয় সে ব্যক্তির রোযা

জানাবত অবস্থায় ফজর হলেও রোযা রাখার প্রমাণ

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬২৭

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ سُمَيٍّ مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَائِشَةَ وَأُمِّ سَلَمَةَ زَوْجَيْ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُمَا قَالَتَا إِنْ كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيُصْبِحُ جُنُبًا مِنْ جِمَاعٍ غَيْرِ احْتِلَامٍ ثُمَّ يَصُومُ.

নাবী (ﷺ)-এর সহধর্মিণী আয়েশা ও উম্মে সালমা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর স্বপ্নদোষ ব্যতীত সহবাসের কারণে জানাবত অবস্থায় ফজর হত, অতঃপর তিনি রোজা রাখতেন।

(বুখারী ১৯২৬, ১৯৩০, মুসলিম ১১০৯)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬২৭-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় আয়েশা (রা.) ও উম্মে সালমা (রা.) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি আমল জানিয়েছেন। তাঁরা বলেন, রাসূল صلى الله عليه وسلم স্বপ্নদোষ ছাড়া, অর্থাৎ সহবাসের কারণে জানাবত অবস্থায় ফজর করতেন, এরপর রোযা রাখতেন। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো জানাবত অবস্থায় ফজর হলে রোযা। অনেকের মনে প্রশ্ন আসে—গোসল ফরজ থাকা অবস্থায় ফজর হয়ে গেলে রোযা হবে কি না। এই বর্ণনা সেই প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেয়। তবে হাদিসটি রোযার বিষয়ে কথা বলছে; নামাজের জন্য গোসল করে পবিত্র হওয়া আলাদা দায়িত্ব। তাই রমযানে রাতের বৈধ সহবাসের পর ফজর হয়ে গেলে হতাশ না হয়ে শরীয়তসম্মতভাবে গোসল করে রোযা চালিয়ে যেতে হবে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সহবাসের কারণে জানাবত অবস্থায় ফজর হলেও রোযা রাখা যায়।
  • রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর আমল রোযার মাসআলা বুঝতে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেয়।
  • স্বপ্নদোষ নয়—সহবাসের বিষয়টি বর্ণনায় আলাদা করে বলা হয়েছে।
  • রোযা ও পবিত্রতার বিষয় আলাদা করে বোঝা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন