১৮/৫. অধ্যায়ঃ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬২৯ - রোযাদার অবস্থায় চুমুর বর্ণনা

রোযাদারের জন্য চুমু খাওয়ার অনুমতি

রোযা অবস্থায় চুমু: আয়েশা (রা.)-এর বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬২৯

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا أَنَّهَا قَالَتْ إِنْ كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيُقَبِّلُ بَعْضَ أَزْوَاجِهِ وَهُوَ صَائِمٌ ثُمَّ ضَحِكَتْ.

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাঁর কোন এক সহধর্মিনীকে চুমু খেতেন, অথচ তিনি রোজাদার। তারপর তিনি হাসলেন।

(বুখারী ১৯২৮, মুসলিম ১১০৬)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬২৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়েশা (রা.) বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কোনো এক সহধর্মিনীকে চুমু খেতেন, অথচ তিনি রোযাদার ছিলেন। এরপর আয়েশা (রা.) হাসলেন। এই বর্ণনা খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু রোযা অবস্থায় চুমু বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দেখায়। এখানে মূল বিষয় হলো রোযাদারের চুমু। হাদিসে সরাসরি রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর আমল এসেছে, তাই বিষয়টি নিয়ে অযথা ভয় বা নিজের ধারণা দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। তবে একই বিষয়ের অন্য বর্ণনায় আত্মসংযমের কথাও এসেছে। তাই হাদিসের সীমার মধ্যে থেকে বলা যায়, রাসূল صلى الله عليه وسلم রোযা অবস্থায় চুমু দিয়েছেন, কিন্তু এ আমল বুঝতে নিজের অবস্থাও বিবেচনায় রাখা দরকার।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আয়েশা (রা.) রোযা অবস্থায় রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর চুমুর আমল বর্ণনা করেছেন।
  • রোযার মাসআলা বুঝতে সরাসরি বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ।
  • একটি আমল জানার পরও সংযম ও সতর্কতা ভুলে যাওয়া ঠিক নয়।
  • নিজের ধারণার বদলে হাদিসভিত্তিক জ্ঞান নেওয়া দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন