২০/৬. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭০৮ - ইহরামে নারীর নেকাব ও হাতমোজা
ইহরাম অবস্থায় মুখমণ্ডল ঢাকা
নারীর ইহরাম: নেকাব ও হাতমোজা সম্পর্কে হাদিস
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭০৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭০৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُوْلُ لَا تَنْتَقِبُ الْمَرْأَةُ الْمُحْرِمَةُ وَلَا تَلْبَسُ الْقُفَّازَيْنِ.
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমর (রাঃ) বলতেন, ইহরাম অবস্থায় মহিলাগণ চেহারায় নেকাব ফেলবে না বা হাতে হাতমোজা পরবে না।
[১] নেকাবের কাপড় যদি মুখমণ্ডলের সঙ্গে আঁটিয়া না থেকে পৃথক থাকে তবে নেকাব ব্যবহার করা দুরস্ত আছে।[১] (সহীহ মারফু, ইমাম বুখারী মারফু সনদে ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন, বুখারী ১৮৩৮)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর বক্তব্য এসেছে। তিনি বলতেন, ইহরাম অবস্থায় মহিলাগণ চেহারায় নেকাব ফেলবে না এবং হাতে হাতমোজা পরবে না। হাদিসটির মূল বিষয় নারীর ইহরামের পোশাক। এখানে সাধারণ পর্দা বা সব অবস্থার মুখ ঢাকার আলোচনা করা হয়নি; বরং ইহরাম অবস্থায় নেকাব ও হাতমোজা নিয়ে নির্দিষ্ট কথা বলা হয়েছে। তাই এই হাদিস বুঝতে শব্দগুলো আলাদা করে দেখা দরকার—নেকাব এক ধরনের মুখঢাকা পোশাক, আর হাতমোজা হাতে পরার জিনিস। ইহরামের সময় সাধারণ পোশাকের কিছু অভ্যাস থেকে আলাদা থাকার শিক্ষা এই বর্ণনায় দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরাম অবস্থায় নারীর পোশাকের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে।
- নেকাব ও হাতমোজা বিষয়ে হাদিসে সরাসরি নিষেধ এসেছে।
- এই বর্ণনাকে ইহরাম অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত করেই বোঝা দরকার।
- ইহরামের পোশাক নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে আলাদা আলোচনার বিষয় হতে পারে।
