২০/৬. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭০৯ - ইহরামে নারীদের মুখ ঢাকার ঘটনা
ইহরাম অবস্থায় মুখমণ্ডল ঢাকা
নারীর ইহরামে মুখ ঢাকার ঘটনা: আসমা (রা)-এর সঙ্গে নারীদের আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭০৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭০৯
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ أَنَّهَا قَالَتْ، كُنَّا نُخَمِّرُ وُجُوهَنَا وَنَحْنُ مُحْرِمَاتٌ وَنَحْنُ مَعَ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيْقِ.
ফাতিমা বিনতে মুনযির (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা আসমা বিনতে আবূ বক্র (রাঃ)-এর সঙ্গী ছিলাম। আমরা ইহরাম অবস্থায় মুখ ঢেকে ফেলতাম,।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭০৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ফাতিমা বিনত মুনযির (র)-এর বক্তব্য এসেছে। তিনি বলেন, আমরা আসমা বিনতে আবূ বকর (রা)-এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা ইহরাম অবস্থায় মুখ ঢেকে ফেলতাম, কিন্তু তিনি আমাদের কিছু বলতেন না। বর্ণনাটি নারীদের ইহরামে মুখ ঢাকার একটি বাস্তব ঘটনার কথা বলে। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, আরেক বর্ণনায় নেকাব ও হাতমোজার কথা আলাদা করে এসেছে। তাই এই হাদিসকে বুঝতে ‘মুখ ঢেকে ফেলা’ এবং ‘নেকাব পরা’—এই দুই বিষয়কে এক করে ফেলা ঠিক নয়। এখানে আসমা (রা)-এর নীরব থাকার বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরামে নারীদের মুখ ঢাকার একটি বাস্তব ঘটনা এই বর্ণনায় এসেছে।
- আসমা (রা) তাঁদের বাধা দেননি—হাদিসের মূল তথ্য এটিই।
- নেকাব ও সাধারণভাবে মুখ ঢাকার বিষয় আলাদা করে বোঝা দরকার।
- একই বিষয়ের বিভিন্ন বর্ণনা মিলিয়ে সতর্কভাবে শেখা উচিত।
