২০/১০. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭২৭ - উচ্চস্বরে লাব্বায়কা বলার নির্দেশ
উচ্চস্বরে লাব্বায়কা বলা
উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠের ফজিলত ও শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭২৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭২৭
- حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ عَنْ خَلَّادِ بْنِ السَّائِبِ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ أَبِيْهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَتَانِي جِبْرِيلُ فَأَمَرَنِي أَنْ آمُرَ أَصْحَابِي أَوْ مَنْ مَعِي أَنْ يَرْفَعُوا أَصْوَاتَهُمْ بِالتَّلْبِيَةِ أَوْ بِالْإِهْلَالِ يُرِيدُ أَحَدَهُمَا.
খাল্লাদ ইবনু সায়িব আনসারী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
খাল্লাদ ইবনু সায়িব আনসারী (রহঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, জিবরাঈল (আঃ) এসে আমাকে নির্দেশ দিয়ে গেলেন আমার সঙ্গীদের যেন উচ্চৈঃস্বরে ‘লাব্বায়কা’ বলার নির্দেশ দেই।
(সহীহ, আবূ দাঊদ ১৮১৪, তিরমিযী ৮২৯, নাসাঈ ২৭৫৩, ইবনু মাজাহ ২৯২২, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল-জামে’ ৬২])
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ্ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, জিবরাঈল (আ) এসে তাঁকে নির্দেশ দেন যেন তিনি তাঁর সঙ্গীদের উচ্চস্বরে তালবিয়া বা ইহলাল বলার নির্দেশ দেন। এখানে তালবিয়া পাঠের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়। হজের সফরে লাব্বায়কা শুধু ব্যক্তিগত দোয়া নয়; এটি আল্লাহর সামনে হাজির হওয়ার ঘোষণা। উচ্চস্বরে তালবিয়া বলার মাধ্যমে ইহরামের পরিচয় প্রকাশ পায় এবং মুমিনের অন্তরের সাড়া মুখেও প্রকাশিত হয়। তবে এই হাদিসে পুরুষ সাহাবীদের ব্যাপারে উচ্চস্বরে পাঠের নির্দেশ এসেছে; অন্য বর্ণনায় নারী ও মসজিদের কিছু অবস্থার আলাদা নিয়ম এসেছে। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, হজের আমলে তালবিয়া একটি প্রধান যিকর এবং সাহাবীদের তা গুরুত্ব দিয়ে শেখানো হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জিবরাঈল (আ)-এর মাধ্যমে উচ্চস্বরে তালবিয়ার নির্দেশ এসেছে।
- তালবিয়া হজের গুরুত্বপূর্ণ যিকর ও ইহরামের ঘোষণা।
- রাসূল صلى الله عليه وسلم সঙ্গীদের লাব্বায়কা বলার শিক্ষা দিয়েছেন।
- ইবাদতে মুখের যিকর ও অন্তরের সাড়া—দুটিই গুরুত্ব পায়।
