২০/৩৪. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮০২ - তিন চক্করে রমল ও চার চক্করে স্বাভাবিক হাঁটা
তাওয়াফের সময় রমল করা (কিছুটা দ্রুত হাঁটা)
তাওয়াফে রমল: প্রথম তিন চক্কর ও বাকি চার চক্করের নিয়ম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮০২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮০২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَرْمُلُ مِنْ الْحَجَرِ الْأَسْوَدِ إِلَى الْحَجَرِ الْأَسْوَدِ ثَلَاثَةَ أَطْوَافٍ وَيَمْشِي أَرْبَعَةَ أَطْوَافٍ.
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমর (রাঃ) হাজরে আসওয়াদ হতে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত তিন তাওয়াফে রমল করতেন আর বাকি তাওয়াফগুলোতে সাধারণভাবে চলতেন। [১]
[১] বুক টান করে হাত দুলিয়ে দ্রুত প্রদক্ষিণ করার নাম ‘রমল’। মক্কার কাফিরগণ মুহাজির সাহাবীগণ সম্পর্কে বলেছিলÑ মদীনার জ্বর এদেরকে দুর্বল করে ফেলেছে। তখন রসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাঁদের শক্তিমত্তা প্রদর্শনের জন্য ‘রমল’ করতে বলেছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮০২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর তাওয়াফের আমল তুলে ধরা হয়েছে। তিনি হাজরে আসওয়াদ থেকে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত প্রথম তিন তাওয়াফে রমল করতেন। এরপর বাকি চার চক্করে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতেন। এখানে তাওয়াফের মোট সাত চক্করের ভেতরে কোন অংশে রমল এবং কোন অংশে সাধারণ হাঁটা—তা সহজভাবে বোঝা যায়। হাদিসটি তাওয়াফের নিয়ম জানতে চাওয়া মানুষের জন্য খুব দরকারি, কারণ এতে তাওয়াফে রমলকে পুরো সাত চক্করে নয়, বরং প্রথম তিন চক্করের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। বর্ণনাটি একজন সাহাবির আমল, তাই এটি নববী শিক্ষার অনুসরণে বাস্তব আমলের একটি সুন্দর উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাওয়াফে রমল প্রথম তিন চক্করের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- বাকি চার চক্করে স্বাভাবিকভাবে হাঁটার আমল বর্ণিত হয়েছে।
- তাওয়াফ হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু ও শেষ হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
- সাহাবিদের আমল ইবাদতের পদ্ধতি বুঝতে সাহায্য করে।
