২০/৪৪. অধ্যায়ঃ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৩০ - ঈদের দিনে রোজা নিষেধ

মিনা‘র দিবসগুলোর রোযা

ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে রোজা নিষেধের হাদিস

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮৩০

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ صِيَامِ يَوْمَيْنِ يَوْمِ الْفِطْرِ وَيَوْمِ الْأَضْحَى.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) দুইদিন রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন ঈদুল ফিতরের দিন আর ঈদুল আযহার দিন।

(সহীহ, মুসলিম ১১৩৮)

অনুবাদের উৎস

সংকলক:
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৩০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই দিনে রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন: ঈদুল ফিতরের দিন এবং ঈদুল আযহার দিন। বক্তব্যটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু বিধানটি স্পষ্ট। রমযানের রোজা শেষ হলে ঈদুল ফিতর আসে, আর কুরবানীর দিনের সঙ্গে ঈদুল আযহা যুক্ত। এই দুই দিনকে রোজার দিন বানানো যাবে না—এটাই হাদিসের সরাসরি শিক্ষা। যারা নফল রোজা রাখতে ভালোবাসেন, তাদের জন্যও এ সীমা জানা জরুরি। কারণ ইবাদতে আন্তরিকতা যেমন দরকার, তেমনি নবীজির নিষেধ মানাও দরকার। তাই “ঈদের দিনে রোজা রাখা যাবে কি”—এই প্রশ্নের উত্তরে এই হাদিস খুব পরিষ্কার দিকনির্দেশনা দেয়। ফলে ঈদের দিনকে রোজার দিন না বানিয়ে নবীজির সীমা মানা দরকার।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ঈদুল ফিতরের দিনে রোজা রাখতে নিষেধ করা হয়েছে।
  • ঈদুল আযহার দিনেও রোজা রাখতে নিষেধ করা হয়েছে।
  • নফল আমল করতে গিয়েও নবীজির নিষেধ মানতে হবে।
  • রোজার জন্য দিন নির্বাচন করতে শরীয়তের সীমা জানা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন