২০/৪৪. অধ্যায়ঃ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৩১ - তাশরীকের দিন রোজা ভাঙার নির্দেশ

মিনা‘র দিবসগুলোর রোযা

আইয়ামে তাশরীক রোজা নিষেধ: সাহাবীর বাস্তব শিক্ষা

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮৩১

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ الْهَادِي عَنْ أَبِي مُرَّةَ مَوْلَى أُمِّ هَانِئٍ أُخْتِ عَقِيلِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى أَبِيهِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ فَوَجَدَهُ يَأْكُلُ قَالَ فَدَعَانِي قَالَ فَقُلْتُ لَهُ إِنِّي صَائِمٌ فَقَالَ هَذِهِ الْأَيَّامُ الَّتِي نَهَانَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ صِيَامِهِنَّ وَأَمَرَنَا بِفِطْرِهِنَّ قَالَ مَالِك هِيَ أَيَّامُ التَّشْرِيْقِ.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমর ইবনু ‘আস (রাঃ)-এর নিকট গেলেন। দেখতে পেলেন তিনি আহার করতেছেন, আবদুল্লাহকেও তিনি ডাকলেন। আমি বললাম আমি আজ রোজা আছি। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যে দিনে রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন সে দিনগুলোতে তুমি রোজা রাখলে! পরে তিনি আবদুল্লাহকে রোজা ভেঙে ফেলতে হুকুম করলেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ২৪১৮, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে আবূ দাঊদ]) মালিক (রহঃ) বলেন, এই দিনগুলো হচ্ছে আইয়্যামে তাশরীক, (যিলহজ্জ মাসের) ১১, ১২ এবং ১৩ তারিখ) যেগুলোতে আমর ইবনু আস (রাঃ) তাঁর পুত্রকে রোজা রাখতে নিষেধ করলেন।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৩১-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রা.) তাঁর পিতা আমর ইবনু আস (রা.)-এর কাছে যান। তিনি দেখেন, তাঁর পিতা খাবার খাচ্ছেন। তাঁকেও খেতে ডাকলে তিনি বলেন, তিনি রোজা আছেন। তখন আমর ইবনু আস (রা.) বলেন, এগুলো সেই দিন, যেগুলোতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন এবং রোজা ভাঙতে বলেছেন। পরে তিনি পুত্রকে রোজা ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেন। মালিক (র) ব্যাখ্যা করেন, এই দিনগুলো হলো আইয়ামে তাশরীক—যিলহজ্জের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখ। হাদিসটি দেখায়, নিষিদ্ধ দিনে রোজা রাখা ইবাদতের উৎসাহ হলেও ঠিক নয়। সাহাবীরা নবীজির নির্দেশকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতেন। এতে দেখা যায়, সঠিক জ্ঞান পেলে নিজের আমলও বদলাতে হয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আইয়ামে তাশরীকে রোজা না রাখার শিক্ষা সাহাবীর কথায় পরিষ্কার হয়েছে।
  • রোজা রাখার ইচ্ছা ভালো হলেও নিষিদ্ধ দিনে তা ছেড়ে দিতে হয়।
  • যিলহজ্জের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখ সম্পর্কে মালিক (র)-এর ব্যাখ্যা এসেছে।
  • পরিবারের মানুষকে সঠিক ইবাদতের দিকনির্দেশনা দেওয়া একটি ভালো কাজ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন