২০/৬৯. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯০১ - মুহাসসাবে নামাজ ও বায়তুল্লাহ তাওয়াফ
মুআররাস ও মাহাসসাবের নামায
মুহাসসাবে নামাজ আদায় ও রাতে বায়তুল্লাহ তাওয়াফের আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯০১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৯০১
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يُصَلِّي الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ وَالْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِالْمُحَصَّبِ ثُمَّ يَدْخُلُ مَكَّةَ مِنْ اللَّيْلِ فَيَطُوفُ بِالْبَيْتِ.
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমর (রাঃ) যুহর, আসর, মাগরিব এবং ইশার নামাজ মুহাস্সাব নামক স্থানে আদায় করতেন। অতঃপর রাত্রে মক্কায় গিয়ে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করতেন। [১]
[১] মুহাস্সাব মক্কা ও মিনার মধ্যবর্তী একটি স্থান।(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর একটি হজ্জ-সংশ্লিষ্ট আমল বর্ণিত হয়েছে। তিনি যুহর, আসর, মাগরিব ও ইশার নামাজ মুহাসসাব নামক স্থানে আদায় করতেন। এরপর রাতে মক্কায় প্রবেশ করে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করতেন। এখানে মূল বিষয় হলো হজ্জের সফরে নামাজ ও তাওয়াফের প্রতি যত্ন। হাদিসের ভাষা থেকে বোঝা যায়, ইবনু উমার (রা) নির্দিষ্ট জায়গায় নামাজ আদায় করার পর তাওয়াফ করাকে গুরুত্ব দিতেন। তবে এই বর্ণনায় সবার জন্য বাধ্যতামূলক কোনো হুকুম সরাসরি বলা হয়নি। তাই এটিকে সাহাবির আমল হিসেবে বোঝা উচিত। যারা মুহাসসাবে নামাজ, হজ্জের তাওয়াফ এবং বায়তুল্লাহ তাওয়াফের আদব জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস সহজ একটি দিক দেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জের সফরে নামাজ আদায়ের ব্যাপারে যত্নবান থাকা উচিত।
- বায়তুল্লাহ তাওয়াফ সাহাবিদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ আমল ছিল।
- সাহাবিদের আমল থেকে হজ্জের আদব ও শৃঙ্খলার শিক্ষা পাওয়া যায়।
- হাদিসে যা সরাসরি এসেছে, ব্যাখ্যাতেও সেই সীমা রক্ষা করা দরকার।
