৭/১. অধ্যায়ঃ
خْبرنا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَسَنِ قَالَا: حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ قَالَ: قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ:كَانَ الْمُسْلِمُونَ حِينَ قَدِمُوا الْمَدِينَةَ يَجْتَمِعُونَ فَيَتَحَيَّنُونَ الصَّلَاةَ وَلَيْسَ يُنَادِي بِهَا أَحَدٌ، فَتَكَلَّمُوا يَوْمًا فِي ذَلِكَ فَقَالَ بَعْضُهُمْ: اتَّخِذُوا نَاقُوسًا مِثْلَ نَاقُوسِ النَّصَارَى وَقَالَ بَعْضُهُمْ: بَلْ قَرْنًا مِثْلَ قَرْنِ الْيَهُودِ فَقَالَ: عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: أَوَلَا تَبْعَثُونَ رَجُلًا يُنادِي بِالصَّلَاةِ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يَا بِلَالُ قُمْ فَنَادِ بِالصَّلَاةِ»
মুসলিমগণ যখন মাদীনায় আসলেন, তখন তাঁরা জমায়েত হয়ে সালাতের সময় নির্ধারণ করে নিতেন, কেউ সালাতের জন্যে আহ্বান করতেন না। তাই একদিন তাঁরা এ বিষয়ে আলোচনা করলেন। কেউ কেউ বললেন, (নাসারাদের মতো) ঘণ্টা-ব্যবস্থার প্রচলন করুন। আর কেউ কেউ বললেন, বরং ইয়াহুদীদের মতো শিঙ্গা ব্যবহার করা হোক। 'উমর (রাঃ) বললেন, আপনারা কি আহ্বান করার জন্যে কোন লোক পাঠাবেন না? এতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, হে বিলাল! উঠ এবং সালাতের আহ্বান জানাও।
৭/২. অধ্যায়ঃ
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ: «إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِلَالًا أَنْ يَشْفَعَ الْأَذَانَ، وَأَنْ يُوتِرَ الْإِقَامَةَ»
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিলাল (রাঃ)-কে আযান (এর বাক্যগুলো) দুবার করে বলার এবং ইকামাত (এর বাক্যগুলো) একবার করে বলার নির্দেশ দিলেন।
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِي الْمُثَنَّى، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: «كَانَ الْأَذَانُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَثْنَى مَثْنَى، وَالْإِقَامَةُ مَرَّةً مَرَّةً إِلَّا أَنَّكَ تَقُولُ: قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ "
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে আযান (এর বাক্যগুলো) দু' দু'বার করে এবং ইক্বামাত (এর বাক্যগুলো) একবার করে ছিল। তবে তুমি- “কুক্কা-মাতিস্ সলা-হ, কুক্কা-মাতিস্ সলা-হ” (সালাত দাঁড়িয়ে গেছে, সালাত দাঁড়িয়ে গেছে) দু'বার বলবে।
৭/৩. অধ্যায়ঃ
أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ مُعَاذٍ قَالَ: حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي مَحْذُورَةَ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي عَبْدُ الْعَزِيزِ، وَجَدِّي عَبْدُ الْمَلِكِ، عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَقْعَدَهُ فَأَلْقَى عَلَيْهِ الْأَذَانَ حَرْفًا حَرْفًا.قَالَ إِبْرَاهِيمُ هُوَ مِثْلُ أَذَانِنَا هَذَا قُلْتُ لَهُ: أَعِدْ عَلَيَّ، قَالَ: " اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مَرَّتَيْنِ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ مَرَّتَيْنِ، ثُمَّ قَالَ بِصَوْتٍ دُونَ ذَلِكَ الصَّوْتِ يُسْمِعُ مَنْ حَوْلَهُ: أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مَرَّتَيْنِ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ مَرَّتَيْنِ، حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ مَرَّتَيْنِ، حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ مَرَّتَيْنِ، اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ "---[حكم الألباني] منكر مخالف للروايات الأخرى عن أبي محذورة________________________________________
নাবী (সাঃ) তাঁকে (সামনে) বসালেন এবং তাঁকে এক একটি শব্দ করে আযান শিখিয়ে দিলেন। ইব্রাহীম বলেন, তা আমাদের এ আযানের মতো। আমি তাঁকে বললাম, (আযানের শব্দগুলো) আমার কাছে পুনরাবৃত্তি করুন।তিনি তখন শব্দগুলো এভাবে বললেন, "আল্ল-হু আকবার, আল্ল-হু আকবার" (আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান), "আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ” (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই) দু'বার, "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ” (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল) দু'বার, "হাইয়্যা 'আলাস্ সলা-হ” (সালাতের জন্যে এসো) দু'বার, “হাইয়্যা 'আলাল ফালা-হ” (কল্যাণের জন্যে এসো) দু'বার, “আল্ল-হু আকবার, আল্ল-হু আকবার” (আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান), সবশেষে বললেন- “লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ” (আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই)।
৭/৪. অধ্যায়ঃ
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ يَحْيَى، عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا مَكْحُولٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَيْرِيزٍ، عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الْأَذَانُ تِسْعَ عَشْرَةَ كَلِمَةً، وَالْإِقَامَةُ سَبْعَ عَشْرَةَ كَلِمَةً» ثُمَّ عَدَّهَا أَبُو مَحْذُورَةَ تِسْعَ عَشْرَةَ كَلِمَةً وَسَبْعَ عَشْرَةَ---[حكم الألباني] حسن صحيح
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে আযানের উনিশটি এবং ইক্বামাতের সতেরটি বাক্য শিক্ষা দিয়েছেন। এরপর আবূ মাহযূরাহ্ (রাঃ) উনিশটি ও সতেরটি বাক্য গুনলেন।
৭/৫. অধ্যায়ঃ
أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: أَنْبَأَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَامِرٍ الْأَحْوَلِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَيْرِيزٍ، عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ قَالَ: عَلَّمَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْأَذَانَ فَقَالَ: «اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ. أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ». ثُمَّ يَعُودُ فَيَقُولُ: «أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ. أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ. أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ. حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ. حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ. حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ. حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ»---[حكم الألباني] حسن صحيح
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে আযান শিক্ষা দিলেন এবং বললেন: “আল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার, আল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার; আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ, আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ; আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ।” (আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল।)তারপর আবার বলেন- "আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ, আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ; আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ; হাইয়্যা 'আলাস্ সলা-হ, হাইয়্যা 'আলাস্ সলা-হ; হাইয়্যা 'আলাল ফালা-হ, হাইয়্যা 'আলাল ফালা-হ; আল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার, লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ।” (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল। সালাতের জন্যে এসো, সালাতের জন্যে এসো। কল্যাণের জন্যে এসো, কল্যাণের জন্যে এসো। আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই।)
أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَسَنِ وَيُوسُفُ بْنُ سَعِيدٍ وَاللَّفْظُ لَهُ، قَالَا: حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي مَحْذُورَةَ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَيْرِيزٍ أَخْبَرَهُ وَكَانَ يَتِيمًا فِي حِجْرِ أَبِي مَحْذُورَةَ حَتَّى جَهَّزَهُ إِلَى الشَّامِ - قَالَ: يَالَ لِأَبِي مَحْذُورَةَ إِنِّي خَارِجٌ إِلَى الشَّامِ وَأَخْشَى أَنْ أُسْأَلَ عَنْ تَأْذِينِكَ، فَأَخْبَرَنِي أَنَّ أَبَا مَحْذُورَةَ قَالَ لَهُ: " خَرَجْتُ فِي نَفَرٍ فَكُنَّا بِبَعْضِ طَرِيقِ حُنَيْنٍ مَقْفَلَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حُنَيْنٍ، فَلَقِيَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَعْضِ الطَّرِيقِ، فَأَذَّنَ مُؤَذِّنُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالصَّلَاةِ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَمِعْنَا صَوْتَ الْمُؤَذِّنِ وَنَحْنُ عَنْهُ مُتَنَكِّبُونَ، فَظَلِلْنَا نَحْكِيهِ وَنَهْزَأُ بِهِ، فَسَمِعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الصَّوْتَ فَأَرْسَلَ إِلَيْنَا حَتَّى وَقَفْنَا بَيْنَ يَدَيْهِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَيُّكُمُ الَّذِي سَمِعْتُ صَوْتَهُ قَدِ ارْتَفَعَ؟» فَأَشَارَ الْقَوْمُ إِلَيَّ وَصَدَقُوا، فَأَرْسَلَهُمْ كُلَّهُمْ وَحَبَسَنِي فَقَالَ: «قُمْ فَأَذِّنْ بِالصَّلَاةِ» فَقُمْتُ فَأَلْقَى عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ التَّأْذِينَ هُوَ بِنَفْسِهِ قَالَ: " قُلِ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، ثُمَّ قَالَ: ارْجِعْ فَامْدُدْ صَوْتَكَ، ثُمَّ قَالَ: قُلْ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ "، ثُمَّ دَعَانِي حِينَ قَضَيْتُ التَّأْذِينَ فَأَعْطَانِي صُرَّةً فِيهَا شَيْءٌ مِنْ فِضَّةٍ، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ مُرْنِي بِالتَّأْذِينِ بِمَكَّةَ فَقَالَ: «أَمَرْتُكَ بِهِ»، فَقَدِمْتُ عَلَى عَتَّابِ بْنِ أَسِيدٍ عَامِلِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمَكَّةَ فَأَذَّنْتُ مَعَهُ بِالصَّلَاةِ عَنْ أَمْرِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ "---[حكم الألباني] حسن صحيح
'আবদুল্লাহ ইবনু মুহায়রীয (রহঃ) তার কাছে বর্ণনা করেন “তিনি ইয়াতীম ছিলেন এবং আবূ মাহযূরার নিকট লালিত হন এবং তিনি তাঁকে সিরিয়ায় এক সফরে পাঠিয়ে ছিলেন। তিনি বলেন, আমি আবূ মাহযূরাহ্ (রাঃ)-কে বললাম, আমি সিরিয়ার দিকে রওয়ানা হচ্ছি। আমার আশঙ্কা হয় যে, আপনার আযান দেয়া সম্পর্কে আমাকে জিজ্ঞেস করা হতে পারে।রাবী 'আবদুল 'আযীয বলেন, ইবনু মুহায়রীয আমাকে বলেন যে, আবূ মাহযূরাহ্ তখন তাঁকে বললেন, আমি একটি দলের সাথে সফরে বের হলাম। আমরা যাওয়ার পথে হুনায়নের কোন একটি পথে যেয়ে পৌঁছলাম যা ছিল রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হুনায়ন অভিযান হতে ফিরে আসার সময়। কোন একটি রাস্তায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে আমরা একত্রিত হলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মুয়াজ্জিন তাঁর অদূরে সালাতের জন্যে আযান দিলেন। আমরা আযানের আওয়াজ শুনলাম। তখন আমরা তার থেকে দূরে ছিলাম। (অর্থাৎ তখনো ইসলাম গ্রহণ করিনি) তাই আমরা তার অনুকরণ ও তাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করছিলাম। তাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঐ আওয়াজ শুনলেন এবং আমাদের কাছে লোক পাঠালেন।অবশেষে আমরা তাঁর সামনে গেলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রশ্ন করলেন, আমি যার শব্দ শুনেছিলাম সে কে? লোকেরা আমার দিকে ইঙ্গিত করল এবং তারা সত্য কথাই বলল। এরপর তিনি সবাইকে ছেড়ে দিলেন এবং আমাকে ছাড়লেন না। তিনি আমাকে নির্দেশ দিলেন, দাঁড়াও সালাতের আযান দাও।আমি দাঁড়ালে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) স্বয়ং আমাকে আযান শিক্ষা দিলেন, তিনি বললেন, তুমি বল- “আল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার, আল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার; আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল- হ, আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ; আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ।” (আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল।)তারপর বললেন, আবার দীর্ঘস্বরে বল। এরপর তিনি বলেন- "আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ, আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ; আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ; হাইয়্যা 'আলাস্ সলা-হ, হাইয়্যা 'আলাস্ সলা-হ; হাইয়্যা 'আলাল ফালা-হ, হাইয়্যা 'আলাল ফালা-হ; আল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার, লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ।” (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল। সালাতের জন্যে এসো, সালাতের জন্যে এসো। কল্যাণের জন্যে এসো, কল্যাণের জন্যে এসো। আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই।)আমি আযান দেয়া শেষ করলে তিনি (ﷺ) আমাকে ডেকে নিকট নিলেন এবং একটি থলে দিলেন। যাতে ছিল কিছু রূপা। তখন আমি নিবেদন করলাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমাকে মাক্কায় আযান দেয়ার দায়িত্ব দিন। জবাবে তিনি বললেন, হ্যাঁ, তোমাকে মাক্কায় আযান দেয়ার দায়িত্ব দিলাম। তারপর আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কর্তৃক নিযুক্ত মাক্কার আমীর 'আত্তাব ইবনু আসীদ (রাঃ)-এর সাথে দেখা করি এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আদেশ অনুযায়ী তাঁর সাথে আযান দিতে থাকি।
৭/৬. অধ্যায়ঃ
أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَسَنِ قَالَ: حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ السَّائِبِ قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي وَأُمُّ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي مَحْذُورَةَ، عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ قَالَ: لَمَّا خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حُنَيْنٍ خَرَجْتُ عَاشِرَ عَشْرَةٍ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ نَطْلُبُهُمْ، فَسَمِعْنَاهُمْ يُؤَذِّنُونَ بِالصَّلَاةِ فَقُمْنَا نُؤَذِّنُ نَسْتَهْزِئُ بِهِمْ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «قَدْ سَمِعْتُ فِي هَؤُلَاءِ تَأْذِينَ إِنْسَانٍ حَسَنِ الصَّوْتِ». فَأَرْسَلَ إِلَيْنَا، فَأَذَّنَّا رَجُلٌ رَجُلٌ وَكُنْتُ آخِرَهُمْ، فَقَالَ حِينَ أَذَّنْتُ: «تَعَالَ». فَأَجْلَسَنِي بَيْنَ يَدَيْهِ، فَمَسَحَ عَلَى نَاصِيَتِي وَبَرَّكَ عَلَيَّ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، ثُمَّ قَالَ: «اذْهَبْ فَأَذِّنْ عِنْدَ الْبَيْتِ الْحَرَامِ». قُلْتُ كَيْفَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ فَعَلَّمَنِي كَمَا تُؤَذِّنُونَ الْآنَ بِهَا: «اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ. أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ. أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ. أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ. أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ. أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ. حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ، حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ. حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ. حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ. الصَّلَاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ فِي الْأُولَى مِنَ الصُّبْحِ». قَالَ: وَعَلَّمَنِي الْإِقَامَةَ مَرَّتَيْنِ: «اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ، حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ، حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ، حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ، قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ، قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ، اللَّهُ أَكْبَرُ. اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ»قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عُثْمَانُ هَذَا الْخَبَرَ كُلَّهُ، عَنْ أَبِيهِ، وَعَنْ أُمِّ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي مَحْذُورَةَ أَنَّهُمَا سَمِعَا ذَلِكَ مِنْ أَبِي مَحْذُورَةَ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন হুনায়ন হতে বের হলেন আমি মাক্কাবাসী দশ জনের অন্যতম হিসেবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর দলের সন্ধানে বের হলাম। আমরা তাঁদেরকে সালাতের আযান দিতে শুনলাম। আমরা বিদ্রূপ সহকারে তাঁদের আযানের অনুকরণ করতে লাগলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, "আমি তাদের মধ্যে মধুর কণ্ঠস্বর বিশিষ্ট একজনের শব্দ শুনেছি।" তখন তিনি আমাদেরকে ডেকে পাঠালেন।তারপর আমরা সবাই এক একজন করে আযান দিলাম। সর্বশেষে আমি ছিলাম, আমি আযান দেয়ার পর বললেন, আসো, এরপর আমাকে তাঁর সম্মুখে বসালেন এবং আমার কপালে হাত বুলিয়ে তিনবার বারাকাতের দোয়া করলেন। তারপর বললেন, যাও, মাসজিদুল হারামে আযান দাও। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কিভাবে দেব?তখন তিনি আমাকে আযান শিক্ষা দিলেন যেভাবে তোমরা এখন আযান দিচ্ছ- “আল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার, আল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার; আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ, আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ; আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ। আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ, আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ; আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ। হাইয়্যা 'আলাস্ সলা-হ, হাইয়্যা 'আলাস্ সলা-হ; হাইয়্যা 'আলাল ফালা-হ, হাইয়্যা 'আলাল ফালা-হ।” (আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল। সালাতের জন্যে এসো, সালাতের জন্যে এসো। কল্যাণের জন্যে এসো, কল্যাণের জন্যে এসো।) তিনি ফাজরের প্রথম আযানে- "আস্সলা-তু খয়রুম্ মিনান্ নাওম, আস্সলা-তু খয়রুম্ মিনান্ নাওম" (ঘুমের চেয়ে সালাত উত্তম, ঘুমের চেয়ে সালাত উত্তম) বলা শিক্ষা দেন।তিনি আমাকে ইক্বামাত শিক্ষা দেন দু' বার করে......। “আল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার, আল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার; আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ, আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ; আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্ল-হ; হাইয়্যা 'আলাস্ সলা-হ, হাইয়্যা 'আলাস্ সলা-হ; হাইয়্যা 'আলাল ফালা-হ, হাইয়্যা 'আলাল ফালা-হ। আল্ল-হু আকবার আল্ল-হু আকবার; লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ।” (আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান; আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল। সালাতের জন্যে এসো, সালাতের জন্যে এসো। কল্যাণের জন্যে এসো, কল্যাণের জন্যে এসো। আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই।)ইবনু জুরায়জ বলেন, 'উসমান (রহঃ) এ পূর্ণ হাদীসটি তাঁর পিতা এবং উম্মু 'আবদুল মালিক ইবনু আবূ মাহযূরাহ্ (রাঃ) হতে। আর তাঁরা দু'জনে আবূ মাহযূরাহ্ (রাঃ) হতে শুনেছেন।
৭/৭. অধ্যায়ঃ
أَخْبَرَنَا حَاجِبُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ وَكِيعٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ قَالَ: أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَا وَابْنُ عَمٍّ لِي - وَقَالَ مَرَّةً أُخْرَى: أَنَا وَصَاحِبٌ لِي - فَقَالَ: «إِذَا سَافَرْتُمَا فَأَذِّنَا وَأَقِيمَا،
একবার আমি এবং আমার চাচাত ভাই নাবী (সাঃ)-এর কাছে এলাম। তিনি বললেন, তোমরা দু'জন যখন ভ্রমণে যাবে, আযান দিবে এবং ইক্বামাত দিবে, অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে বড় সে ইমামাত করবে।
৭/৮. অধ্যায়ঃ
أَخْبَرَنِي زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ: حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ قَالَ: أَتَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَحْنُ شَبَبَةٌ مُتَقَارِبُونَ، فَأَقَمْنَا عِنْدَهُ عِشْرِينَ لَيْلَةً، وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَحِيمًا رَفِيقًا، فَظَنَّ أَنَّا قَدِ اشْتَقْنَا إِلَى أَهْلِنَا، فَسَأَلَنَا عَمَّنْ تَرَكْنَاهُ مِنْ أَهْلِنَا، فَأَخْبَرْنَاهُ فَقَالَ: «ارْجِعُوا إِلَى أَهْلِيكُمْ، فَأَقِيمُوا عِنْدَهُمْ وَعَلِّمُوهُمْ، وَمُرُوهُمْ إِذَا حَضَرَتِ الصَّلَاةُ فَلْيُؤَذِّنْ لَكُمْ أَحَدُكُمْ وَلْيَؤُمَّكُمْ أَكْبَرُكُمْ»
আমরা (কয়েকজন) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে উপস্থিত হলাম, তখন আমরা সবাই ছিলাম বয়সে যুবক ও সমবয়স্ক। আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর খিদমাতে বিশ দিন থাকি। তিনি অত্যন্ত দয়াশীল ও বিনম্র অন্তরের লোক ছিলেন। তাঁর ধারণা হলো যে, আমরা বাড়িতে যেতে আগ্রহী। তিনি (ﷺ) আমাদেরকে প্রশ্ন করলেন, বাড়িতে কাদেরকে রেখে এসেছ? আমরা তাঁকে তা বললাম। তিনি বললেন, তোমরা তোমাদের বাড়িতে চলে যাও এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনদের মধ্যে থাক। তাদেরকে (দীন) শিক্ষা দাও এবং তাদেরকে (সৎকাজের) আদেশ দাও যখন সালাতের সময় আসে তখন যেন তোমাদের কেউ আযান দেয় এবং তোমাদের মধ্যে যে বড় সে যেন সালাতের ইমামাত করে।