১২/৬১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১১১৯ - রুকু ও সিজদায় কুরআন পড়ার নিষেধ
সাজদায় কুরআন পাঠ করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
রুকু ও সিজদায় কুরআন তিলাওয়াত করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ
সুনানে আন-নাসায়ী : ১১১৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১১১৯
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، ح وَالْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، عَنْ ابْنِ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ أَبَاهُ حَدَّثَهُ، أَنَّهُ سَمِعَ عَلِيًّا قَالَ: «نَهَانِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ أَقْرَأَ رَاكِعًا أَوْ سَاجِدًا»
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে নিষেধ করেছেন, রুকু এবং সিজদা অবস্থায় কোরআন পাঠ করতে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১১১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে আলী রাঃ একটি পরিষ্কার নির্দেশ বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাঁকে রুকু অথবা সিজদা অবস্থায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। ফলে হাদিসটির মূল বিষয় হলো সালাতের প্রতিটি অবস্থার আলাদা কাজ ও আদব রয়েছে। কিয়ামের কিরাআতকে রুকু বা সিজদার মধ্যে নিয়ে যাওয়া এই বর্ণিত নির্দেশের সঙ্গে মেলে না। তবে হাদিসটিতে রুকুতে কোন তাসবিহ বা সিজদায় কোন দোয়া পড়তে হবে, তা উল্লেখ করা হয়নি। তাই ব্যাখ্যার সময় শুধু নিষেধের বিষয়টিই নিশ্চিতভাবে বলা উচিত। সহজভাবে মনে রাখা যায়—রুকু ও সিজদা কুরআন তিলাওয়াতের অবস্থান নয়। সালাতে কী পড়ছি এবং কোন অবস্থায় পড়ছি, সে বিষয়ে সচেতন থাকা এই হাদিসের সরাসরি শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রুকু অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত করতে নিষেধ করা হয়েছে।
- সিজদা অবস্থায়ও কুরআন পাঠ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ রয়েছে।
- সালাতের প্রতিটি অবস্থার জন্য নির্ধারিত কাজের পার্থক্য খেয়াল রাখা দরকার।
