২০/৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৬০৩ - কিয়ামুল লাইল ও নেক নিয়ত
‘ইবাদাত জ্ঞানে সাওয়াব লাভের নিয়্যাতে ক্বিয়ামুল লায়ল আদায়কারীর নেকী
কিয়ামুল লাইলের ফজিলত ও নেক নিয়তের গুরুত্ব
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৬০৩
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৬০৩
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَعِيلَ أَبُو بَكْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ، قَالَ: حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ الزُّهْرِيُّ، أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَحُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি ইবাদত জ্ঞানে নেকী লাভের নিয়তে রমাযানে ক্বিয়ামুল লায়ল আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী সমস্ত (সগীরাহ্) গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৬০৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কিয়ামুল লাইলের সঙ্গে নিয়তের সম্পর্ক স্পষ্ট হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি ইবাদত জেনে এবং নেকি লাভের নিয়তে কিয়ামুল লাইল আদায় করে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। তাই রাতের সালাত শুধু দাঁড়ানো বা রাকাতের সংখ্যা নয়; এর ভেতরে থাকা ঈমান, আন্তরিকতা ও সওয়াবের আশা গুরুত্বপূর্ণ। রমজানের রাতের নামাজ হোক বা সাধারণভাবে কিয়ামুল লাইল—হাদিসটি আমাদের শেখায়, আমলকে আল্লাহর জন্য করতে হয়। এখানে গুনাহ মাফের কথা এসেছে, তবে তা হাদিসের ভাষা অনুযায়ী সৎ নিয়ত ও ইবাদতের সঙ্গে যুক্ত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাতের সালাতের সঙ্গে সঠিক নিয়ত জরুরি।
- কিয়ামুল লাইল নেকি লাভের আশায় করা উচিত।
- ইবাদতকে অভ্যাস নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টির কাজ হিসেবে দেখা দরকার।
- এই আমল গুনাহ মাফের কারণ হতে পারে।
