২০/২৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৬৭৫ - বিতর সালাতের গুরুত্ব
বিতর সলাতের আদেশ
বিতর সালাত: আল্লাহ বিজোড় এবং বিজোড়কে ভালোবাসেন
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৬৭৫
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৬৭৫
أَخْبَرَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَقَ، عَنْ عَاصِمٍ وَهُوَ ابْنُ ضَمْرَةَ، عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: أَوْتَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ: «يَا أَهْلَ الْقُرْآنِ، أَوْتِرُوا، فَإِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ وِتْرٌ يُحِبُّ الْوِتْرَ»
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একবার বিতরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, হে কোরআনধারীগণ! তোমরা বিতরের সালাত আদায় কর। কারণ আল্লাহ তা’আলা স্বয়ং বিজোড় এবং তিনি বিজোড় ভালোবাসেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৬৭৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় বিতর সালাতের প্রতি উৎসাহ। আলী (রাঃ) জানান, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বিতর আদায় করার পর কুরআনের অনুসারীদের উদ্দেশে বলেন, তোমরা বিতর আদায় কর। এরপর কারণ হিসেবে বলেন, আল্লাহ তা’আলা বিজোড় এবং তিনি বিজোড়কে ভালোবাসেন। এখানে আহলে কুরআন বলে কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা মানুষদের সম্বোধন করা হয়েছে। হাদিসটি বিতর নামাজকে রাতের ইবাদতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে সামনে আনে এবং বিজোড় সংখ্যার সঙ্গে এর নাম ও অর্থের যোগটি প্রকাশ করে। তবে এই বর্ণনায় বিতরের নির্দিষ্ট রাকাত সংখ্যা, সময়ের বিস্তারিত বা ফরজ-সুন্নাতের শ্রেণি ব্যাখ্যা করা হয়নি। সেসব বিষয়ে পরের বর্ণনাগুলো আলাদা তথ্য দেয়। এই হাদিস থেকে সরাসরি শেখা যায়, নবী صلى الله عليه وسلم বিতর আদায়ে উৎসাহ দিয়েছেন এবং আল্লাহর বিজোড় হওয়ার গুণের কথা উল্লেখ করেছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বিতর সালাত আদায়ে উৎসাহ দিয়েছেন।
- কুরআনের অনুসারীদের বিশেষভাবে সম্বোধন করা হয়েছে।
- আল্লাহ বিজোড় এবং তিনি বিজোড়কে ভালোবাসেন—এ কথা বলা হয়েছে।
- এই হাদিসে বিতরের রাকাত সংখ্যা বা সময়ের বিস্তারিত নেই।
