২০/৪১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৭১৪ - পাঁচ ও সাত রাকাত বিতরে এক সালাম
পাঁচ রাক‘আত দ্বারা বিজোড় কিভাবে করতে হবে? হাদীস বর্ণনায় হাকাম-এর ওপর মতানৈক্য
পাঁচ বা সাত রাকাত বিতর একটানা পড়ার নিয়ম
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৭১৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৭১৪
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ الْحَكَمِ، عَنْ مِقْسَمٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُوتِرُ بِخَمْسٍ وَبِسَبْعٍ لَا يَفْصِلُ بَيْنَهَا بِسَلَامٍ وَلَا بِكَلَامٍ»
উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পাঁচ রাকাত বিতর আদায় করতেন, সাত রাকাত বিতর আদায় করতেন। ঐ রাকাতগুলোর মধ্যে সালাম ফিরায়ে কিংবা কথা বলে সালাতকে পৃথক করতেন না।
[১] ওযরের কারণে ইশারায় সালাত আদায় করার অনুমতি আছে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৭১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় পাঁচ ও সাত রাকাত বিতরের ধারাবাহিকতা। উম্মু সালামা (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কখনো পাঁচ রাকাত এবং কখনো সাত রাকাত বিতর আদায় করতেন। ওই রাকাতগুলোর মাঝে সালাম ফিরিয়ে বা কথা বলে সালাতকে আলাদা করতেন না। অর্থাৎ এই নির্দিষ্ট বর্ণনায় পাঁচ বা সাত রাকাত একটানা পড়ার পদ্ধতি উঠে এসেছে। যারা “পাঁচ রাকাত বিতর কীভাবে পড়তে হয়”, “সাত রাকাত বিতরের নিয়ম” বা “বিতরে কয়বার সালাম” লিখে খোঁজ করেন, তাদের জন্য এটি সরাসরি প্রাসঙ্গিক। তবে এখানে কোথায় বসতেন, কোন সূরা পড়তেন বা শেষে কী জিকির করতেন—এসব বলা হয়নি। তাই একটানা আদায় এবং মাঝখানে সালাম বা কথা না বলাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) পাঁচ ও সাত রাকাত বিতর আদায় করতেন।
- রাকাতগুলোর মাঝে সালাম দিয়ে আলাদা করতেন না।
- মাঝখানে কথা বলেও সালাতের ধারাবাহিকতা ভাঙতেন না।
