২০/৪৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৭৩৯ - বিতরের কিরাতে আল-আলা, কাফিরুন ও ইখলাস
এ হাদীস বর্ণনায় মালিক ইবনু মিগওয়াল-এর ওপর মতানৈক্য
বিতরের কিরাতে তিন সূরা: আল-আলা, কাফিরুন ও ইখলাস
সুনানে আন-নাসায়ী : ১৭৩৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৭৩৯
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ حَبِيبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ أَبِيهِ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقْرَأُ فِي الْوِتْرِ بِسَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى، وَقُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ، وَقُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ»
'আবদুর রহমান ইবনু আবযা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিতরের সালাতে "সাব্বিহিস্যা রব্বিকাল আ'লা-" (৮৭. সূরা আল আ'লা-), “কুল ইয়া- আইয়্যুহাল কা-ফিরূন” (১০৯. সূরা আল কা-ফিরুন) এবং "কুল হুওয়াল্ল-হু আহাদ" (১১২. সূরা আল ইখলা-স) পাঠ করতেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৭৩৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর বিতরের কিরাত হিসেবে তিনটি সূরার নাম এসেছে। প্রথমটি সূরা আল-আলা, যার শুরু “সাব্বিহিস্মা রব্বিকাল আ'লা”। দ্বিতীয়টি সূরা আল-কাফিরুন, যার শুরু “কুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরুন”। তৃতীয়টি সূরা আল-ইখলাস, যার শুরু “কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ”। অনুবাদে সূরাগুলোর নম্বরও যথাক্রমে ৮৭, ১০৯ এবং ১১২ উল্লেখ করা হয়েছে। যারা “বিতরের নামাজে কোন তিনটি সূরা পড়া হয়” খোঁজেন, তাদের জন্য এটি সরাসরি ও সহজ উত্তর। তবে এই বর্ণনায় রাকাতের সংখ্যা, সূরাগুলোর রাকাতভিত্তিক বণ্টন, কুনুত বা সালাত শেষে কোনো জিকর বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যার কেন্দ্র শুধু নবীজির কিরাতে থাকা তিন সূরা। এই সীমা মানলে হাদিসের বক্তব্য পরিষ্কার ও নির্ভুল থাকে। তাই অতিরিক্ত ধাপ আরোপ না করাই সঠিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিতরের কিরাতে সূরা আল-আলা পাঠের বর্ণনা রয়েছে।
- সূরা আল-কাফিরুন ও সূরা আল-ইখলাসও একই হাদিসে এসেছে।
- সূরাগুলোর নম্বর যথাক্রমে ৮৭, ১০৯ ও ১১২ বলে অনুবাদে উল্লেখ আছে।
- এই বর্ণনায় সালাত-পরবর্তী জিকর বা রাকাতের বিস্তারিত নেই।
