২২/১৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৪৪ - সাহরির বরকত ও গুরুত্ব
সাহরী খাওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান
সাহরির বরকত: কেন রোজার আগে সাহরি খেতে বলা হয়েছে
সুনানে আন-নাসায়ী : ২১৪৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১৪৪
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «تَسَحَّرُوا فَإِنَّ فِي السَّحُورِ بَرَكَةً» وَقَفَهُ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ---[حكم الألباني] حسن صحيح
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা সাহরী খাও। সাহরীতে বারাকাত রয়েছে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় সাহরির বরকত। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সরাসরি বলেছেন, “তোমরা সাহরি খাও”; এরপর কারণ হিসেবে জানিয়েছেন, সাহরিতে বরকত রয়েছে। তাই সাহরি শুধু ভোররাতের একটি খাবার নয়, বরং নবী صلى الله عليه وسلم-এর উৎসাহ দেওয়া একটি কল্যাণময় আমল। হাদিসে বরকতের ধরন আলাদা করে ব্যাখ্যা করা হয়নি। সে কারণে এখানে এমন কোনো নির্দিষ্ট লাভের দাবি করা ঠিক হবে না, যা বর্ণনায় নেই। বরং নিরাপদ ও সরলভাবে বলা যায়, সাহরি গ্রহণের মধ্যে আল্লাহর দেওয়া কল্যাণ রয়েছে এবং নবী صلى الله عليه وسلم তা গ্রহণ করতে বলেছেন। রোজার প্রস্তুতির সময় এই ছোট নির্দেশটি মনে রাখা সহজ: সামর্থ্য ও সুযোগ অনুযায়ী সাহরি খাওয়া। হাদিসের ভাষা আদেশমূলক হলেও ব্যাখ্যায় অতিরঞ্জন না করে মূল কথাই সামনে রাখা দরকার—সাহরি খেতে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে এবং এর সঙ্গে বরকতের কথা যুক্ত করা হয়েছে। এ শিক্ষা রোজার দিনের শুরুতে নববী নির্দেশ মেনে চলার গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সাহরি খেতে বলেছেন।
- সাহরির মধ্যে বরকত থাকার কথা হাদিসে স্পষ্টভাবে এসেছে।
- বরকতের ধরন নিয়ে হাদিসে না থাকা নির্দিষ্ট দাবি করা উচিত নয়।
- রোজার প্রস্তুতিতে নববী নির্দেশকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার।
