২২/১. অধ্যায়ঃ
أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ وَهُوَ ابْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَنَّ أَعْرَابِيًّا جَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَائِرَ الرَّأْسِ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَخْبِرْنِي مَاذَا فَرَضَ اللَّهُ عَلَيَّ مِنَ الصَّلَاةِ؟ قَالَ: «الصَّلَوَاتُ الْخَمْسُ إِلَّا أَنْ تَطَوَّعَ شَيْئًا»، قَالَ: أَخْبِرْنِي بِمَا افْتَرَضَ اللَّهُ عَلَيَّ مِنَ الصِّيَامِ؟ قَالَ: «صِيَامُ شَهْرِ رَمَضَانَ إِلَّا أَنْ تَطَوَّعَ شَيْئًا»، قَالَ: أَخْبِرْنِي بِمَا افْتَرَضَ اللَّهُ عَلَيَّ مِنَ الزَّكَاةِ؟ فَأَخْبَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِشَرَائِعِ الْإِسْلَامِ، فَقَالَ: وَالَّذِي أَكْرَمَكَ، لَا أَتَطَوَّعُ شَيْئًا لَا أَنْقُصُ مِمَّا فَرَضَ اللَّهُ عَلَيَّ شَيْئًا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَفْلَحَ إِنْ صَدَقَ أَوْ دَخَلَ الْجَنَّةَ إِنْ صَدَقَ»
এলোমেলো চুল বিশিষ্ট এক গ্রাম্যব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আল্লাহ তা'আলা আমার ওপর যে সালাত ফরজ করেছেন সে সম্পর্কে আমাকে সংবাদ দিন। তিনি বললেন, আল্লাহ তা'আলা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ করেছেন। তবে হ্যাঁ, তুমি চাইলে নফল আদায় করতে পার। তারপর সে বললো, আল্লাহ তা'আলা আমার ওপর যে সাওম ফরজ করেছেন সে সম্পর্কে আমাকে সংবাদ দিন। তিনি (ﷺ) বললেন, রমাযান মাসের সাওম। তবে হ্যাঁ, তুমি চাইলে নফল আদায় করতে পার।অতঃপর সে বললো, আল্লাহ তা'আলা আমার ওপর যে যাকাত ফরজ করেছেন সে সম্পর্কে আমাকে সংবাদ দিন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে ইসলামী শারী'আর আহকাম সম্পর্কে তাকে জানালেন। অতঃপর সে বললো, ঐ সত্তার কসম! যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন আমি কোনো নফলও আদায় করব না এবং আল্লাহ তা'আলা আমার ওপর যা ফরজ করেছেন তাতে কিছু কমতিও করব না। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, যদি সে সত্যই বলে থাকে তবে সে সফলকাম। অথবা তিনি (ﷺ) বললেন, যদি সে সত্যই বলে থাকে তবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَعْمَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ: نُهِينَا فِي الْقُرْآنِ أَنْ نَسْأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ شَيْءٍ، فَكَانَ يُعْجِبُنَا أَنْ يَجِيءَ الرَّجُلُ الْعَاقِلُ مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ فَيَسْأَلَهُ، فَجَاءَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ، أَتَانَا رَسُولُكَ فَأَخْبَرَنَا أَنَّكَ تَزْعُمُ أَنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ أَرْسَلَكَ، قَالَ: «صَدَقَ»، قَالَ: فَمَنْ خَلَقَ السَّمَاءَ؟ قَالَ: «اللَّهُ»، قَالَ: فَمَنْ خَلَقَ الْأَرْضَ؟ قَالَ: «اللَّهُ»، قَالَ: فَمَنْ نَصَبَ فِيهَا الْجِبَالَ؟ قَالَ: «اللَّهُ»، قَالَ: فَمَنْ جَعَلَ فِيهَا الْمَنَافِعَ؟ قَالَ: «اللَّهُ»، قَالَ: فَبِالَّذِي خَلَقَ السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ، وَنَصَبَ فِيهَا الْجِبَالَ، وَجَعَلَ فِيهَا الْمَنَافِعَ آللَّهُ أَرْسَلَكَ؟ قَالَ: «نَعَمْ»، قَالَ: وَزَعَمَ رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ، قَالَ: «صَدَقَ»، قَالَ: فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا؟ قَالَ: «نَعَمْ»، قَالَ: وَزَعَمَ رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا زَكَاةَ أَمْوَالِنَا، قَالَ: «صَدَقَ»، قَالَ: فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا؟ قَالَ: «نَعَمْ»، قَالَ: وَزَعَمَ رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا صَوْمَ شَهْرِ رَمَضَانَ فِي كُلِّ سَنَةٍ، قَالَ: «صَدَقَ»، قَالَ: فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا؟ قَالَ: «نَعَمْ»، قَالَ: وَزَعَمَ رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا الْحَجَّ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا؟ قَالَ: «صَدَقَ»، قَالَ: فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا؟ قَالَ: «نَعَمْ»، قَالَ: فَوَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَا أَزِيدَنَّ عَلَيْهِنَّ شَيْئًا وَلَا أَنْقُصُ، فَلَمَّا وَلَّى قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَئِنْ صَدَقَ لَيَدْخُلَنَّ الْجَنَّةَ»
কোরআনে আমাদের নিষেধ করা হয়েছে যেন নবী (সাঃ)-এর কাছে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন না করি। তাই আমরা মনে মনে আশা করতাম যেন গ্রাম থেকে কোনো জ্ঞানী ব্যক্তি এসে তাঁকে [রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে] প্রশ্ন করে। ইতিমধ্যে একজন গ্রাম্য ব্যক্তি এসে বলল, হে মুহাম্মাদ! আমাদের কাছে আপনার দূত এসেছিলেন। তিনি আমাদের বললেন যে, আপনি নাকি দাবী করেন যে, মহান ও মহীয়ান আল্লাহ আপনাকে রাসূল করে পাঠিয়েছেন? তিনি (সাঃ) বললেন, সে সত্যই বলেছে।অতঃপর সে প্রশ্ন করল : তাহলে আসমান কে সৃষ্টি করেছে? তিনি (সাঃ) বললেন : আল্লাহ। অতঃপর সে প্রশ্ন করল : জমিন কে সৃষ্টি করেছে? তিনি (সাঃ) বললেন : আল্লাহ। তারপর সে প্রশ্ন করল : জমিনে পর্বতসমূহ কে স্থাপন করেছে? তিনি (সাঃ)) বললেন : আল্লাহ। এরপর সে প্রশ্ন করল : এবং তাতে উপকারী গাছপালা কে সৃষ্টি করেছে? তিনি (সাঃ)) বললেন : আল্লাহ। অতঃপর সে বলল : ঐ সত্তার কসম যিনি আসমান এবং জমিন সৃষ্টি করেছেন আর তাতে পর্বতসমূহ স্থাপন করেছেন এবং তাতে উপকারী বৃক্ষসমূহ সৃষ্টি করেছেন- আল্লাহ কি আপনাকে রাসূল করে পাঠিয়েছেন? তিনি (সাঃ) বললেন : হ্যাঁ।অতঃপর সে বলল: আপনার দূত বলেন যে, আমাদের ওপর প্রতি দিন রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ? তিনি (সাঃ)) বললেন: সে সত্যই বলেছে। অতঃপর সে বলল : ঐ সত্তার কসম যিনি আপনাকে রাসূলরূপে প্রেরণ করেছেন, আল্লাহ তা'আলা কি আপনাকে এর আদেশ করেছেন? তিনি (সাঃ)) বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর সে বলল: আপনার দূত বলেন যে, আমাদের ওপর ধন-সম্পদের যাকাত আদায় করা ফরজ? তিনি (সাঃ) বললেন: সে তো সত্যই বলেছে। সে বলল : সেই সত্তার কসম যিনি আপনাকে প্রেরণ করেছেন, আল্লাহ তা'আলা কি আপনাকে এর আদেশ করেছেন? তিনি (সাঃ) বললেন, হ্যাঁ।অতঃপর সে বলল: আপনার দূত বলেন যে, আমাদের ওপর প্রত্যেক বছর রমজানের সাওম ফরজ? তিনি বললেন: সে তো সত্যই বলেছে। সে বলল, ঐ সত্তার কসম যিনি আপনাকে প্রেরণ করেছেন, আল্লাহ কি আপনাকে এর আদেশ করেছেন? তিনি (সাঃ) বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর সে বলল: আপনার দূত বলেন যে, আমাদের মধ্যে যারা খরচ বহনে সক্ষম তাদের ওপর হজ্জ ফরজ? তিনি (সাঃ) বললেন: সে তো সত্যই বলেছে। সে বলল, ঐ সত্তার কসম যিনি আপনাকে প্রেরণ করেছেন, আল্লাহ কি আপনাকে এর আদেশ করেছেন? তিনি (সাঃ)) বললেন, হ্যাঁ।অতঃপর সে বলল ঐ সত্তার কসম যিনি আপনাকে প্রেরণ করেছেন, আমি এর থেকে কোন কিছু কমও করবো না এবং বেশিও করবো না। যখন সে ফিরে গেলো, তখন নবী (সাঃ) বললেন, যদি সে তার কথায় সত্যবাদী হয়ে থাকে তবে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে।
خْبَرَنَا عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ، عَنْ اللَّيْثِ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ شَرِيكِ بْنِ أَبِي نَمِرٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ: بَيْنَا نَحْنُ جُلُوسٌ فِي الْمَسْجِدِ جَاءَ رَجُلٌ عَلَى جَمَلٍ فَأَنَاخَهُ فِي الْمَسْجِدِ، ثُمَّ عَقَلَهُ، فَقَالَ لَهُمْ: أَيُّكُمْ مُحَمَّدٌ؟ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُتَّكِئٌ بَيْنَ ظَهْرَانَيْهِمْ، قُلْنَا لَهُ: هَذَا الرَّجُلُ الْأَبْيَضُ الْمُتَّكِئُ، فَقَالَ لَهُ الرَّجُلُ: يَا ابْنَ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «قَدْ أَجَبْتُكَ»، فَقَالَ الرَّجُلُ: إِنِّي سَائِلُكَ يَا مُحَمَّدُ، فَمُشَدِّدٌ عَلَيْكَ فِي الْمَسْأَلَةِ، فَلَا تَجِدَنَّ فِي نَفْسِكَ، قَالَ: «سَلْ مَا بَدَا لَكَ»، فَقَالَ الرَّجُلُ: نَشَدْتُكَ بِرَبِّكَ، وَرَبِّ مَنْ قَبْلَكَ، آللَّهُ أَرْسَلَكَ إِلَى النَّاسِ كُلِّهِمْ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ اللَّهَ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تُصَلِّيَ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسَ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ؟ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ اللَّهَ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تَصُومَ هَذَا الشَّهْرَ مِنَ السَّنَةِ؟ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ اللَّهَ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تَأْخُذَ هَذِهِ الصَّدَقَةَ مِنْ أَغْنِيَائِنَا فَتَقْسِمَهَا عَلَى فُقَرَائِنَا؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، فَقَالَ الرَّجُلُ: آمَنْتُ بِمَا جِئْتَ بِهِ، وَأَنَا رَسُولُ مَنْ وَرَائِي مِنْ قَوْمِي، وَأَنَا ضِمَامُ بْنُ ثَعْلَبَةَ، أَخُو بَنِي سَعْدِ بْنِ بَكْرٍ،«خَالَفَهُ يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ»
আমরা মসজিদে বসা ছিলাম। ইতিমধ্যে উটে সওয়ার হয়ে জনৈক ব্যক্তি এলো এবং সে উটকে মসজিদের [আঙ্গিনায়] বসিয়ে বাঁধলো, তারপর উপস্থিত লোকেদের জিজ্ঞেস করল: তোমাদের মধ্যে মুহাম্মাদ কে? রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তখন উপস্থিতদের মধ্যে ঠেস দিয়ে বসে ছিলেন। আমরা তাকে বললাম, এই ঠেস দিয়ে বসা ফর্সা ব্যক্তি। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে সে ব্যক্তি বলল: হে 'আবদুল মুত্ত্বালিব-এর বংশজাত! তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তাকে বললেন : আমি তোমার ডাকে সাড়া দিয়েছি। তখন সেই ব্যক্তি বলল: হে মুহাম্মাদ! আমি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করব এবং প্রশ্নের ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন করব। আপনি কিছু মনে করবেন না। তখন তিনি (সাঃ) বললেন : তোমার যা মনে চায় প্রশ্ন করো।তখন সে বলল: আমি আপনাকে আপনার রব এবং আপনার পূর্ববর্তীদের রবের নামে শপথ দিয়ে বলছি আল্লাহ কি আপনাকে সকল মানব জাতির জন্য পাঠিয়েছেন? রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন: "হে আল্লাহ! [আপনি সাক্ষী থাকুন), অবশ্যই। সে বলল, এখন আমি আপনাকে আল্লাহর নামে কসম দিয়ে বলছি, আল্লাহ তা'আলা কি আপনাকে রাত-দিনে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে আদেশ দিয়েছেন? রাসূলুল্লাহ বললেন: হে আল্লাহ। [আপনি সাক্ষী থাকুন] অবশ্যই।অতঃপর সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর নামে কসম দিয়ে বলছি, আল্লাহ তা'আলা কি আপনাকে বছরের এ [রমজান] মাসে সাওম পালন করতে নির্দেশ দিয়েছেন? রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন: নিশ্চয়। হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন। অতঃপর সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর নামে কসম দিয়ে বলছি, আল্লাহ তা'আলা কি আপনাকে আমাদের সম্পদশালীদের থেকে যাকাত নিয়ে তা আমাদের অভাবীদের মধ্যে বণ্টন করার আদেশ দিয়েছেন? রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন: নিশ্চয়, হে আল্লাহ! [আপনি সাক্ষী থাকুন]।তারপর সে ব্যক্তি বলল: আপনি যা নিয়ে এসেছেন তার ওপর আমি ঈমান আনলাম। আর আমি নিজ গোত্রের অবশিষ্ট লোকেদের জন্য দূতরূপে এসেছি এবং আমার নাম হল যিমাম ইবনু সা'লাবাহ্; আমি সা'দ ইবনু বাক্র গোত্রের লোক।
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، مِنْ كِتَابِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمِّي، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عَجْلَانَ، وَغَيْرُهُ مِنْ إِخْوَانِنَا، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ شَرِيكِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي نَمِرٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ:بَيْنَمَا نَحْنُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جُلُوسٌ فِي الْمَسْجِدِ، دَخَلَ رَجُلٌ عَلَى جَمَلٍ فَأَنَاخَهُ فِي الْمَسْجِدِ، ثُمَّ عَقَلَهُ، ثُمَّ قَالَ: أَيُّكُمْ مُحَمَّدٌ؟ وَهُوَ مُتَّكِئٌ بَيْنَ ظَهْرَانَيْهِمْ، فَقُلْنَا لَهُ: هَذَا الرَّجُلُ الْأَبْيَضُ الْمُتَّكِئُ، فَقَالَ لَهُ الرَّجُلُ: يَا ابْنَ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «قَدْ أَجَبْتُكَ»، قَالَ الرَّجُلُ: يَا مُحَمَّدُ، إِنِّي سَائِلُكَ فَمُشَدِّدٌ عَلَيْكَ فِي الْمَسْأَلَةِ، قَالَ: «سَلْ عَمَّا بَدَا لَكَ»، قَالَ: أَنْشُدُكَ بِرَبِّكَ وَرَبِّ مَنْ قَبْلَكَ، آللَّهُ أَرْسَلَكَ إِلَى النَّاسِ كُلِّهِمْ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ اللَّهَ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تَصُومَ هَذَا الشَّهْرَ مِنَ السَّنَةِ؟ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ اللَّهَ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تَأْخُذَ هَذِهِ الصَّدَقَةَ مِنْ أَغْنِيَائِنَا فَتَقْسِمَهَا عَلَى فُقَرَائِنَا؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، فَقَالَ الرَّجُلُ: إِنِّي آمَنْتُ بِمَا جِئْتَ بِهِ، وَأَنَا رَسُولُ مَنْ وَرَائِي مِنْ قَوْمِي، وَأَنَا ضِمَامُ بْنُ ثَعْلَبَةَ، أَخُو بَنِي سَعْدِ بْنِ بَكْرٍ،«خَالَفَهُ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ»
শারীক ইবনু 'আবদুল্লাহ ইবনু আবূ নামির (রহিমাহুল্লাহ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন। আমরা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সাথে মসজিদে বসা ছিলাম। এমন সময় উটের আরোহণ করে জনৈক ব্যক্তি আসলো এবং তার উটকে মসজিদের [আঙ্গিনায়] বসিয়ে বেঁধে ফেললো। অতঃপর বলল: তোমাদের মধ্যে মুহাম্মাদ কে? তিনি তখন আমাদের মধ্যে ঠেস দিয়ে বসা ছিলেন। আমরা তাকে বললাম, এই যে ঠেস দিয়ে বসা ফর্সা মানুষটি। সে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলল: হে 'আবদুল মুত্ত্বালিব-এর বংশধর। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন: আমি তোমার ডাকে সাড়া দিয়েছি। সে বলল: হে মুহাম্মাদ! আমি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করবো এবং প্রশ্নের ব্যাপারে আপনার সাথে কঠোরতা অবলম্বন করবো। তিনি (সাঃ) বললেন: তোমার যা মনে চায় প্রশ্ন করো।সে বলল: আমি আপনাকে আপনার রব এবং আপনার পূর্ববর্তীদের রবের নামে শপথ দিয়ে বলছি- আল্লাহ তা'আলা কি আপনাকে সকল মানব জাতির জন্য পাঠিয়েছেন? রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন: নিশ্চয়, হে আল্লাহ আপনি সাক্ষী থাকুন। সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে বলছি- আল্লাহ তা'আলা কি আপনাকে প্রত্যেক বছরের এ [রমজান] মাসে সাওম পালনের আদেশ দিয়েছেন? রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন: নিশ্চয়, হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন। সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে বলছি- আল্লাহ তা'আলা কি আপনাকে আমাদের সম্পদশালীদের থেকে যাকাত নিয়ে তা আমাদের অভাবীদের মধ্যে বণ্টন করার আদেশ দিয়েছেন? রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন: নিশ্চয়, হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন।অতঃপর সে বলল, আপনি যা নিয়ে এসেছেন তার উপর আমি ঈমান আনলাম। আর আমি নিজ গোত্রের বাকী লোকেদের জন্য দূত হিসেবে এসেছি। আর আমার নাম যিমাম ইবনু সা'লাবাহ্, আমি সা'দ ইবনু বাক্র গোত্রের লোক।
أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَقُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُمَارَةَ حَمْزَةُ بْنُ الْحَارِثِ بْنِ عُمَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، يَذْكُرُ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ:بَيْنَمَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَعَ أَصْحَابِهِ جَاءَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ قَالَ: أَيُّكُمُ ابْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ؟ قَالُوا: هَذَا الْأَمْغَرُ الْمُرْتَفِقُ - قَالَ حَمْزَةُ -: الْأَمْغَرُ الْأَبْيَضُ مُشْرَبٌ حُمْرَةً، فَقَالَ: إِنِّي سَائِلُكَ فَمُشْتَدٌّ عَلَيْكَ فِي الْمَسْأَلَةِ، قَالَ: «سَلْ عَمَّا بَدَا لَكَ»، قَالَ: أَسْأَلُكَ بِرَبِّكَ، وَرَبِّ مَنْ قَبْلَكَ، وَرَبِّ مَنْ بَعْدَكَ، آللَّهُ أَرْسَلَكَ؟ قَالَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ بِهِ آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تُصَلِّيَ خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ؟ قَالَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ بِهِ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تَأْخُذَ مِنْ أَمْوَالِ أَغْنِيَائِنَا فَتَرُدَّهُ عَلَى فُقَرَائِنَا؟ قَالَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ بِهِ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تَصُومَ هَذَا الشَّهْرَ مِنَ اثْنَيْ عَشَرَ شَهْرًا؟ قَالَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ بِهِ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ يَحُجَّ هَذَا الْبَيْتَ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا؟ قَالَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَإِنِّي آمَنْتُ وَصَدَّقْتُ وَأَنَا ضِمَامُ بْنُ ثَعْلَبَةَ
নবী (সাঃ) তাঁর সাহাবীদের সাথে ছিলেন, একজন গ্রাম্য ব্যক্তি তাদের কাছে এসে বলল: তোমাদের মধ্যে 'আবদুল মুত্ত্বালিব-এর বংশজাত কে? সাহাবীগণ বললেন: এই হেলান দেয়া লালবর্ণ মিশ্রিত ফর্সা ব্যক্তি। হামযাহ্ (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: الْأَمْغَرُ শব্দের অর্থ হল লালবর্ণধারী ফর্সা। অতঃপর সেই ব্যক্তি বলল: আমি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করবো। আর প্রশ্নের ব্যাপারে আপনার সঙ্গে কঠোরতা অবলম্বন করবো। তিনি (সাঃ) বললেন: তোমার যা ইচ্ছা প্রশ্ন কর।সে বলল: আমি আপনার রব এবং আপনার পূর্ববর্তীদের রবের নামে আপনাকে শপথ দিয়ে বলছি, আল্লাহ কি আপনাকে প্রেরণ করেছেন? তিনি (সাঃ) বললেন, হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষী থেকো, অবশ্যই। তারপর সে বলল: আমি আল্লাহর শপথ দিয়ে আপনাকে প্রশ্ন করবো। আল্লাহ তা'আলা কি আপনাকে রাতদিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করার আদেশ করেছেন? তিনি (সাঃ) বললেন: আল্লাহুম্মা! অবশ্যই।সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে প্রশ্ন করছি, আল্লাহ কি আপনাকে আমাদের সম্পদশালীদের সম্পদ থেকে যাকাত নিয়ে তা আমাদের গরীবদের দেয়ার আদেশ দিয়েছেন? তিনি (সাঃ) বললেন: হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন, অবশ্যই। সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে প্রশ্ন করছি, আল্লাহ কি আপনাকে বারো মাসের মধ্যে এ [রমজান] মাসে সাওম পালন করার আদেশ করেছেন? তিনি (সাঃ) বললেন, হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন, অবশ্যই।সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে প্রশ্ন করছি, আল্লাহ কি আপনাকে আমাদের মধ্যে যারা খরচ বহনে সক্ষম তাদের জন্য কা'বাহ্ ঘরের হজ্জ করার নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি (সাঃ) বললেন: হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন, অবশ্যই। তারপর সে বলল: আপনার ওপর আমি ঈমান আনলাম এবং আপনাকে সত্যবাদী হিসেবে গ্রহণ করলাম। আর আমার নাম হল দিমাম ইবনু সা'লাবাহ্।
২২/২. অধ্যায়ঃ
أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، عَنْ ابْنِ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ كَانَ يَقُولُ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَجْوَدَ النَّاسِ، وَكَانَ أَجْوَدَ مَا يَكُونُ فِي رَمَضَانَ حِينَ يَلْقَاهُ جِبْرِيلُ، وَكَانَ جِبْرِيلُ يَلْقَاهُ فِي كُلِّ لَيْلَةٍ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ فَيُدَارِسُهُ الْقُرْآنَ»قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ يَلْقَاهُ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلَامُ أَجْوَدَ بِالْخَيْرِ مِنَ الرِّيحِ الْمُرْسَلَةِ»
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) লোকেদের মাঝে অত্যধিক দানশীল ছিলেন। রমজান মাসে তিনি অত্যধিক দানশীল হয়ে যেতেন যখন জিবরীল (আঃ) তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতেন। জিবরীল (আঃ) রমজানের প্রত্যেক রাতে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতেন এবং তাঁকে কোরআন শিক্ষা দিতেন। তিনি ['আবদুল্লাহ ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) বলেন, যখন জিবরীল (আঃ) রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন তখন তিনি প্রবহমান বাতাসের চেয়েও অধিক দানশীল হতেন।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَعِيلَ الْبُخَارِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي حَفْصُ بْنُ عُمَرَ بْنِ الْحَارِثِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، وَالنُّعْمَانُ بْنُ رَاشِدٍ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: «مَا لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ لَعْنَةٍ تُذْكَرُ، كَانَ إِذَا كَانَ قَرِيبَ عَهْدٍ بِجِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلَامُ يُدَارِسُهُ، كَانَ أَجْوَدَ بِالْخَيْرِ مِنَ الرِّيحِ الْمُرْسَلَةِ» قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: «هَذَا خَطَأٌ وَالصَّوَابُ حَدِيثُ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ، وَأَدْخَلَ هَذَا حَدِيثًا فِي حَدِيثٍ»
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এমন কোনো অভিশাপ দিতেন না যা উল্লেখ করা যায়। আর যখন জিবরীল (আঃ)-এর আসার সময় নিকটবর্তী হত যিনি তাঁকে কোরআন শিক্ষা দিতেন, তখন তিনি প্রবহমান বাতাসের চেয়েও অধিক দানশীল হতেন।
২২/৩. অধ্যায়ঃ
أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا دَخَلَ شَهْرُ رَمَضَانَ فُتِّحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ، وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ النَّارِ، وَصُفِّدَتِ الشَّيَاطِينُ»
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: রমজান মাস এলে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়।
أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَعْقُوبَ الْجُوْزَجَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا نَافِعُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا دَخَلَ رَمَضَانُ فُتِّحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ، وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ النَّارِ، وَصُفِّدَتِ الشَّيَاطِينُ»
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: রমজান মাসের আগমনে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদেরকে শৃঙ্খলিত করা হয়।
২২/৪. অধ্যায়ঃ
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمِّي، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي نَافِعُ بْنُ أَبِي أَنَسٍ، أَنَّ أَبَاهُ حَدَّثَهُ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا دَخَلَ رَمَضَانُ، فُتِّحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ، وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ جَهَنَّمَ، وَسُلْسِلَتِ الشَّيَاطِينُ»
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যখন রমজান মাসের আগমন ঘটে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়।