পানির বিবরন

২/০. অধ্যায়ঃ

আল্লাহ তা‘আলা বলেন- “আমি আকাশ থেকে পবিত্র পানি অবতরণ করেছি”- (সূরাহ্ আল ফুরক্বান ২৫ : ৪৮)। তিনি আরো বলেন- “অতঃপর যদি পানি না পাও তবে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম কর”- (সূরাহ্ আন্ নিসা ৪ : ৪৩)।

সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৩২৫

أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: أَنَّ بَعْضَ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اغْتَسَلَتْ مِنَ الْجَنَابَةِ فَتَوَضَّأَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِفَضْلِهَا فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ: «إِنَّ الْمَاءَ لَا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ»

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ)-এর স্ত্রীদের মধ্যে একজন অপবিত্রতার গোসল করলে তাঁর গোসলের উদ্ধৃত্ত পানি দ্বারা নবী (ﷺ) ওজু করলেন, পরে তিনি নবী (ﷺ)-এর কাছে তা বললে তিনি বললেন, পানিকে কোনো বস্তুই অপবিত্র করে না।

[১] এ হাদীস দ্বারা বুযা‘আ কূপের পানি উদ্দেশ্য করা হয়েছে। এ কূপের পানি শস্যক্ষেত ও খেজুর ইত্যাদির বাগানে সেচকার্যে ব্যবহার করা হত। তাই তাতে কোন নাপাক বস্তু পড়লেও তা সেখানে অবশিষ্ট থাকত না। এ ছাড়া বুযা‘আ কূপের পানির পরিমাণ অনেক বেশি ছিল। আর বেশি পানি দূষিত হয় না। যেমন কোন বড় পুকুরের পানি। অপরদিকে সম্ভবত বুযা‘আ কূপটি এমন স্থানে ছিল, যেখানে বাইরে থেকে পানির গমনাগমন ছিল। যেমন, নদীর পানি। এর তলদেশ পাতালের পানির সাথে সংযুক্ত ছিল বলে যাবতীয় ময়লা অপসারিত হয়ে যেত।

২/১. অধ্যায়ঃ

বুযা'আহ্ নামক কূপ প্রসঙ্গে আলোচনা

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন