২৭/১. অধ্যায়ঃ
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ السَّرْخَسِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ: أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ، فَاسْتَفْتَى عُمَرُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ، فَقَالَ: «مُرْ عَبْدَ اللَّهِ فَلْيُرَاجِعْهَا، ثُمَّ يَدَعْهَا حَتَّى تَطْهُرَ مِنْ حَيْضَتِهَا هَذِهِ، ثُمَّ تَحِيضَ حَيْضَةً أُخْرَى، فَإِذَا طَهُرَتْ فَإِنْ شَاءَ فَلْيُفَارِقْهَا قَبْلَ أَنْ يُجَامِعَهَا، وَإِنْ شَاءَ فَلْيُمْسِكْهَا، فَإِنَّهَا الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَنْ تُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ»
তিনি তাঁর স্ত্রীকে তালাক দিলেন, তাঁর স্ত্রী তখন ছিল ঋতুমতী। 'উমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এর সমাধান চাইলেন। তিনি ('উমর (রাঃ)) বললেন: 'আবদুল্লাহ তার স্ত্রীকে ঋতুমতী অবস্থায় তালাক দিয়েছে। তিনি (ﷺ) বললেন: 'আবদুল্লাহকে বলে দাও, সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয় [রজ্'আহ্ করে] এবং হায়য থেকে পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাকে দূরে রাখে [সহবাস না করে]। এরপর সে আবার ঋতুমতী হয়ে যখন পবিত্র হবে, তখন সে যদি ইচ্ছা করে তবে তার সাথে সহবাস করার পূর্বেই তালাক দেবে। আর যদি সে ইচ্ছা করে তাহলে রেখে দেবে। এটাই তার ইদ্দত, সে অনুযায়ী স্ত্রীদের তালাকের ব্যাপারে মহান ও মহীয়ান আল্লাহ তা'আলা আদেশ করেছেন।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ: أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَسَأَلَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ ذَلِكَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا، ثُمَّ لِيُمْسِكْهَا حَتَّى تَطْهُرَ، ثُمَّ تَحِيضَ، ثُمَّ تَطْهُرَ، ثُمَّ إِنْ شَاءَ أَمْسَكَ بَعْدُ، وَإِنْ شَاءَ طَلَّقَ قَبْلَ أَنْ يَمَسَّ، فَتِلْكَ الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَنْ تُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ»
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর যুগে তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় তালাক দেন। তখন 'উমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বললেন: তাকে বল, তাকে যেন ফিরিয়ে নেয় এবং পবিত্র হওয়া পর্যন্ত তাকে দূরে রাখে। হায়যের পর পাক হলে যদি ইচ্ছা করে তাকে রাখবে, আর যদি ইচ্ছা করে সহবাস করার পূর্বে তালাক দেবে। এটাই সে ইদ্দত, যে অনুযায়ী মহান ও মহীয়ান আল্লাহ তা'আলা স্ত্রীদের তালাকের বিষয়ে আদেশ করেছেন।
أَخْبَرَنِي كَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ حَرْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الزُّبَيْدِيُّ، قَالَ: سُئِلَ الزُّهْرِيُّ، كَيْفَ الطَّلَاقُ لِلْعِدَّةِ؟ فَقَالَ: أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، قَالَ: طَلَّقْتُ امْرَأَتِي فِي حَيَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهِيَ حَائِضٌ، فَذَكَرَ ذَلِكَ عُمَرُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَتَغَيَّظَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ذَلِكَ، فَقَالَ: «لِيُرَاجِعْهَا، ثُمَّ يُمْسِكْهَا حَتَّى تَحِيضَ حَيْضَةً وَتَطْهُرَ، فَإِنْ بَدَا لَهُ أَنْ يُطَلِّقَهَا طَاهِرًا قَبْلَ أَنْ يَمَسَّهَا، فَذَاكَ الطَّلَاقُ لِلْعِدَّةِ كَمَا أَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ» قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ: «فَرَاجَعْتُهَا وَحَسَبْتُ لَهَا التَّطْلِيقَةَ الَّتِي طَلَّقْتُهَا»
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বেঁচে থাকাকালে আমি আমার স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় তালাক দিলাম। 'উমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এই ঘটনা আলোচনা করলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাগান্বিত হয়ে বললেন: সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়। এরপর এক হায়য হওয়া পর্যন্ত তাকে রেখে দেয় এবং যতক্ষণ না সে পবিত্র হয়। এরপর যদি তাকে তালাক দিতে চায়, তাহলে তার পাক অবস্থায় তালাক দিবে- সহবাস করার পূর্বে। এই তালাক হলো ইদ্দতের নিয়ম অনুযায়ী, যেমন মহান ও মহীয়ান আল্লাহ নাযিল করেছেন। 'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমর (রাঃ) বলেন: আমি তাকে ফিরিয়ে রাখলাম [রুজু' করলাম]: আর আমি তাকে যে তালাক দিয়েছিলাম, তাকে এক তালাক হিসেবে গণ্য করলাম।
أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ حَجَّاجٍ، قَالَ: قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ: أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَيْمَنَ، يَسْأَلُ ابْنَ عُمَرَ، وَأَبُو الزُّبَيْرِ يَسْمَعُ: كَيْفَ تَرَى فِي رَجُلٍ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ حَائِضًا؟ فَقَالَ لَهُ: طَلَّقَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَسَأَلَ عُمَرُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: إِنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لِيُرَاجِعْهَا» فَرَدَّهَا عَلَيَّ، قَالَ: «إِذَا طَهُرَتْ فَلْيُطَلِّقْ أَوْ لِيُمْسِكْ» قَالَ ابْنُ عُمَرَ: فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " {يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ} [الطلاق: 1] فِي قُبُلِ عِدَّتِهِنَّ "
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) বলেন: আমাকে আবুয যুবায়র জানিয়েছে যে, তিনি 'আবদুর রহমান ইবনু আয়মান (রহঃ)-কে ইবনু 'উমর-এর নিকট প্রশ্ন করতে শুনেছেন। আর তখন আবুয যুবায়র (রহঃ) শুনছিলেন ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে, আপনার ধারণা কি যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় তালাক দেয়? তিনি তাকে বললেন: নাবী (ﷺ)-এর যুগে 'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমর (রাঃ) তাঁর স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় তালাক দিলে 'উমর (রাঃ) [এ ব্যাপারে] রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)। বললেন: সে যেন তাকে ফিরিয়ে রাখে। এ কথা বলে তিনি (ﷺ) তা [আমার দেয়া তালাক] রদ করলেন। তিনি (ﷺ) বললেন: যখন সে পাক হবে, তখন ইচ্ছা হলে তাকে তালাক দেবে, না হয় রেখে দেবে।ইবনু 'উমর (রাঃ) বলেন: এরপর নাবী (ﷺ) বললেন: [কোরআনের নির্দেশ] “হে নাবী! যখন তালাক দিবে তখন তাদের ইদ্দত পালনের পূর্ববর্তী অবস্থা বিবেচনা করে তালাক দিবে।” (সূরা আত্ব ত্বলা-ক্ব ৬৫: ১)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ الْحَكَمِ، قَالَ: سَمِعْتُ مُجَاهِدًا، يُحَدِّثُهُ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ: فِي قَوْلِهِ عَزَّ وَجَلَّ: {يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ لِعِدَّتِهِنَّ} [الطلاق: 1] قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «قُبُلِ عِدَّتِهِنَّ»
মহান ও মহীয়ান আল্লাহর বাণী: يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ لِعِدَّتِهِنَّ “হে নাবী! তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে চাও তখন তালাক দাও তাদের ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে..."- (সূরা আত্ব ত্বলা-ক্ব ৬৫ : ১); সম্পর্কে বর্ণিত যে, ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) বলেছেন [আয়াতে], অর্থাৎ ইদ্দতের পূর্বের সময় হিসাব করে।
২৭/২. অধ্যায়ঃ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي إِسْحَقَ، عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ قَالَ: «طَلَاقُ السُّنَّةِ تَطْلِيقَةٌ وَهِيَ طَاهِرٌ فِي غَيْرِ جِمَاعٍ، فَإِذَا حَاضَتْ وَطَهُرَتْ طَلَّقَهَا أُخْرَى، فَإِذَا حَاضَتْ وَطَهُرَتْ طَلَّقَهَا أُخْرَى، ثُمَّ تَعْتَدُّ بَعْدَ ذَلِكَ بِحَيْضَةٍ» قَالَ الْأَعْمَشُ: سَأَلْتُ إِبْرَاهِيمَ فَقَالَ مِثْلَ ذَلِكَ
সুন্নাত তালাক হলো, যে পবিত্র অবস্থায় সহবাস করা হয়নি, তাতে এক তালাক। এরপর যখন হায়য হওয়ার পর পবিত্র হয়, তখন আর এক তালাক। এরপর যখন সে আবার হায়য থেকে পবিত্র হয়, তখন আরো এক তালাক দিবে। এরপর সে [এক] হায়য দ্বারা ইদ্দত পালন করবে। আ'মাশ (রহঃ) বলেন: আমি ইবরাহীমকে জিজ্ঞেস করলে তিনিও এরূপ বললেন।
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي إِسْحَقَ، عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «طَلَاقُ السُّنَّةِ أَنْ يُطَلِّقَهَا طَاهِرًا فِي غَيْرِ جِمَاعٍ»
সুন্নাত তালাক হলো স্ত্রীকে যে পবিত্রতা [মাসিক না থাকা] অবস্থায় সহবাস করা হয়নি, সে সময় [এক] তালাক দেয়া।
২৭/৩. অধ্যায়ঃ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، قَالَ: سَمِعْتُ عُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ: أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ تَطْلِيقَةً، فَانْطَلَقَ عُمَرُ فَأَخْبَرَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِذَلِكَ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مُرْ عَبْدَ اللَّهِ فَلْيُرَاجِعْهَا، فَإِذَا اغْتَسَلَتْ فَلْيَتْرُكْهَا حَتَّى تَحِيضَ، فَإِذَا اغْتَسَلَتْ مِنْ حَيْضَتِهَا الْأُخْرَى فَلَا يَمَسَّهَا حَتَّى يُطَلِّقَهَا، فَإِنْ شَاءَ أَنْ يُمْسِكَهَا فَلْيُمْسِكْهَا، فَإِنَّهَا الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَنْ تُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ»
তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় এক তালাক দেন। তখন 'উমর (রাঃ) গিয়ে নাবী (ﷺ)-কে জানালে নাবী (ﷺ) বললেন, 'আবদুল্লাহকে বল, সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয় এবং যখন সে [পবিত্রতার উদ্দেশে] গোসল করবে, তখন অন্য হায়য পর্যন্ত সহবাস করবে না। যখন অন্য হায়য হতে গোসল করবে, তখন তালাক দেয়ার আগে সহবাস করবে না। তখন যদি তাকে রাখতে চাও, তবে রেখে দেবে। এটাই সেই ইদ্দত- মহান ও মহীয়ান আল্লাহ যার প্রতি লক্ষ্য রেখে স্ত্রীদের তালাক দেয়ার আদেশ করেছেন।
أَخْبَرَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، مَوْلَى طَلْحَةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ: أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ، فَذَكَرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا، ثُمَّ لِيُطَلِّقْهَا وَهِيَ طَاهِرٌ أَوْ حَامِلٌ»
তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় তালাক দিলেন। এ খবর নাবী (ﷺ)-এর নিকট পৌঁছলে তিনি বললেন, তাকে বল, সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়। এরপর [তালাক দেয়] দেয় পবিত্র অবস্থায় অথবা গর্ভাবস্থায়।
২৭/৪. অধ্যায়ঃ
أَخْبَرَنِي زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ، قَالَ: حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ: أَنَّهُ «طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ، فَرَدَّهَا عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى طَلَّقَهَا وَهِيَ طَاهِرٌ»
তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় তালাক দিলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে তার নিকট ফিরিয়ে দেন। পরে তিনি তাকে পবিত্র অবস্থায় [যথানিয়মে] তালাক দেন।