২২/১৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৪৬ - সাহরিতে বরকত রয়েছে
সাহরী খাওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান
সাহরিতে বরকত রয়েছে: নবী صلى الله عليه وسلم-এর স্পষ্ট নির্দেশ
সুনানে আন-নাসায়ী : ২১৪৬
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১৪৬
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، وَعَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «تَسَحَّرُوا فَإِنَّ فِي السَّحُورِ بَرَكَةً»
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা সাহরী খাও। কেননা সাহরীতে বারাকাত রয়েছে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم খুব সংক্ষেপে সাহরির গুরুত্ব বুঝিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তোমরা সাহরি খাও; কারণ সাহরিতে বরকত রয়েছে। মূল শিক্ষা তাই দুটি অংশে পরিষ্কার: সাহরি গ্রহণের নির্দেশ এবং সাহরির সঙ্গে বরকতের সম্পর্ক। হাদিসটি কোনো নির্দিষ্ট খাবারের নাম, পরিমাণ বা দীর্ঘ তালিকা দেয়নি। ফলে এর বার্তা সাধারণ ও সহজ—রোজার আগে সাহরি গ্রহণকে অবহেলা না করা। বরকত এমন একটি কল্যাণ, যার বিস্তারিত রূপ এই বর্ণনায় খোলা হয়নি; তাই ব্যাখ্যায় সীমা মানা জরুরি। আমরা বলতে পারি, নবী صلى الله عليه وسلم সাহরিকে কল্যাণময় বলেছেন এবং মুসলিমদের তা গ্রহণে উৎসাহিত করেছেন। ব্যস্ততা, ঘুম বা অভ্যাসের কারণে সাহরি বাদ দেওয়ার প্রবণতা থাকলে এই হাদিস মনে করিয়ে দেয় যে ছোট একটি খাবারও নববী নির্দেশ পালনের সুযোগ হতে পারে। তবে হাদিসে না থাকা স্বাস্থ্যগত বা পার্থিব ফল নিশ্চিতভাবে জুড়ে দেওয়া উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহরি খাওয়ার নির্দেশ নবী صلى الله عليه وسلم দিয়েছেন।
- সাহরির মধ্যে বরকত রয়েছে বলে হাদিসে বলা হয়েছে।
- হাদিসে সাহরির নির্দিষ্ট খাবার বা পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়নি।
- ব্যাখ্যায় মূল বক্তব্যের বাইরে নিশ্চিত দাবি না করাই নিরাপদ।
