১/১৬২. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৫৪ - গোসলের পর রুমাল ব্যবহার না করার ঘটনা
গোসলের পর রুমাল ব্যবহার না করা প্রসঙ্গে
গোসলের পর রুমাল ব্যবহার: নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর আমলের সহজ শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৫৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৫৪
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: " أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اغْتَسَلَ فَأُتِيَ بِمِنْدِيلٍ، فَلَمْ يَمَسَّهُ وَجَعَلَ يَقُولُ بِالْمَاءِ: «هَكَذَا»
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) গোসল করার পর তাঁর নিকট রুমাল আনা হলো। কিন্তু তিনি তা স্পর্শ করলেন না তবে তিনি পানি ঝেড়ে ফেলতে লাগলেন।
[১] গোসলের পর দেহের পানি মোছার জন্য তিনি কখনো রুমাল ব্যবহার করতেন, কখনো করতেন না।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৫৪-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: গোসলের পর আচরণ। এই হাদিসে বলা হয়েছে, নাবী (صلى الله عليه وسلم) গোসল করলেন। এরপর তাঁর কাছে রুমাল আনা হলো, কিন্তু তিনি তা স্পর্শ করলেন না। তিনি পানি ঝেড়ে ফেলতে লাগলেন। এই বর্ণনায় গোসলের পর শরীর মুছা বা না মুছার বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট আমল এসেছে। তবে হাদিসে এ কথা নেই যে রুমাল ব্যবহার করা একেবারে নিষিদ্ধ; শুধু এই ঘটনার মধ্যে বলা হয়েছে তিনি রুমাল নেননি। তাই ব্যাখ্যায় ভারসাম্য রাখা দরকার। যারা “গোসলের পর শরীর মোছা যাবে কি” জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর একটি আমল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গোসলের পর রুমাল আনা হয়েছিল।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) রুমাল স্পর্শ করেননি বলে বর্ণিত হয়েছে।
- তিনি নিজের শরীরের পানি ঝেড়ে ফেলেছিলেন।
