২৩/৭৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৫৭৫ - অহংকারী দরিদ্র ও মিথ্যাবাদী নেতার সতর্কতা
অহংকারী ফকীর
অহংকারী দরিদ্র ও মিথ্যাবাদী নেতার পরিণতি সম্পর্কে হাদিস
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৫৭৫
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৫৭৫
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي يُحَدِّثُ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " ثَلَاثَةٌ لَا يُكَلِّمُهُمُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ: الشَّيْخُ الزَّانِي، وَالْعَائِلُ الْمَزْهُوُّ، وَالْإِمَامُ الْكَذَّابُ "---[حكم الألباني] حسن صحيح
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তিন প্রকার ব্যক্তির সাথে মহান ও মহীয়ান আল্লাহ কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না। বৃদ্ধ ব্যভিচারী, অহংকারী দরিদ্র এবং মিথ্যাবাদী নেতা।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৫৭৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তিন প্রকার ব্যক্তির সঙ্গে কেয়ামতের দিন আল্লাহ কথা বলবেন না: বৃদ্ধ ব্যভিচারী, অহংকারী দরিদ্র এবং মিথ্যাবাদী নেতা। এখানে তিনটি চরিত্রগত বিপদের কথা এসেছে। প্রথমটি হলো এমন বয়সে ব্যভিচার, যেখানে মানুষ সাধারণত আরও বেশি সংযমী হওয়ার কথা। দ্বিতীয়টি হলো দরিদ্র হয়েও অহংকার করা। দরিদ্রতা নিজে দোষ নয়, কিন্তু অহংকার দোষ। তৃতীয়টি হলো নেতৃত্বের জায়গায় থেকে মিথ্যা বলা। নেতা যখন মিথ্যা বলে, তার ক্ষতি শুধু নিজের মধ্যে থাকে না; অন্য মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। হাদিসটি ব্যভিচার, অহংকার এবং নেতৃত্বে সত্যবাদিতার বিষয়ে সরাসরি সতর্ক করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অহংকার যেকোনো অবস্থায় নিন্দনীয়, দরিদ্রতার মধ্যেও।
- নেতৃত্বের জায়গায় মিথ্যা বলা বড় দায়িত্বহীনতা।
- বয়স বাড়ার সঙ্গে গুনাহ থেকে আরও বেশি সতর্ক হওয়া দরকার।
- চরিত্রের দুর্বলতা কেয়ামতের জবাবদিহির কারণ হতে পারে।
