২৪/৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৬২৫ - আল্লাহর প্রতিনিধি তিন শ্রেণি
হাজ্জের ফাযীলাত
আল্লাহর প্রতিনিধি: হজ্জকারী, উমরাহকারী ও আল্লাহর পথে যুদ্ধকারী
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৬২৫
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৬২৫
أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَثْرُودٍ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ مَخْرَمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ سُهَيْلَ بْنَ أَبِي صَالِحٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَفْدُ اللَّهِ ثَلَاثَةٌ: الْغَازِي، وَالْحَاجُّ، وَالْمُعْتَمِرُ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তিন প্রকার ব্যক্তি আল্লাহর প্রতিনিধি- আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধকারী, হাজী ও উমরাহ পালনকারী।
[১] যে হজ্জের মধ্যে পাপ ও হজ্জ ক্ষুণ্ণকারী কোন কাজ সংঘটিত হয় না। মতান্তরে যে হজ্জ আল্লাহ্র নিকট কবুল হয়, তাকে ‘মাবরূর’ হজ্জ বলে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৬২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে তিন শ্রেণির মানুষের মর্যাদা বলা হয়েছে: আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধকারী, হজ্জ পালনকারী এবং উমরাহ পালনকারী। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাদের আল্লাহর প্রতিনিধি বা আগত দল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এখানে মূল বিষয় হলো হজ্জ ও উমরার মর্যাদা। হজ্জকারী ও উমরাহকারী আল্লাহর ঘরের দিকে যায়, কষ্ট সহ্য করে, সময় ও সম্পদ ব্যয় করে এবং ইবাদতের জন্য সফর করে। হাদিসের ভাষা তাদের সম্মান দেখায়। তবে এই বর্ণনা থেকে এমন দাবি করা ঠিক নয় যে, শুধু নামের জন্য হজ্জ বা উমরা করলেই সব পূর্ণ হয়ে গেল। হাদিসের সরাসরি শিক্ষা হলো—এই ইবাদতগুলো আল্লাহর কাছে সম্মানিত কাজের অন্তর্ভুক্ত, আর এগুলোকে সম্মান ও আন্তরিকতার সাথে করা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জকারী ও উমরাহকারীর মর্যাদা এই হাদিসে উল্লেখিত হয়েছে।
- আল্লাহর পথে যুদ্ধকারীও একই বর্ণনায় এসেছে।
- হজ্জ ও উমরা শুধু সফর নয়, আল্লাহর জন্য সম্মানিত ইবাদত।
