২৪/৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৬২৭ - পাপমুক্ত হজ্জের শিক্ষা
হাজ্জের ফাযীলাত
পাপমুক্ত হজ্জ: অশ্লীলতা ও গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৬২৭
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৬২৭
أَخْبَرَنَا أَبُو عَمَّارٍ الْحُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ وَهُوَ ابْنُ عِيَاضٍ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ حَجَّ هَذَا الْبَيْتَ فَلَمْ يَرْفُثْ، وَلَمْ يَفْسُقْ، رَجَعَ كَمَا وَلَدَتْهُ أُمُّهُ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি এ ঘরের [বায়তুল্লাহ্র] হজ করল এবং অশ্লীল আচরণ করল না ও কোনো পাপ করল না সে সদ্যভূমিষ্ঠ শিশুর মতো [নিষ্পাপ] হয়ে ফিরে আসলো।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৬২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হজ্জের একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ দিক বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই ঘরের হজ্জ করল, অশ্লীল আচরণ করল না এবং পাপ করল না, সে সদ্যভূমিষ্ঠ শিশুর মতো ফিরে আসে। এখানে মূল বিষয় হলো পাপমুক্ত হজ্জ। হজ্জের সময় শুধু নিয়ম পালন করাই নয়, কথা, আচরণ ও কাজকেও সংযত রাখতে হয়। হাদিসে দুইটি শর্ত স্পষ্ট এসেছে: অশ্লীল আচরণ না করা এবং পাপ না করা। তাই হজ্জে যাওয়ার আগে ও হজ্জের সময় মানুষের উচিত নিজের ভাষা, রাগ, আচরণ ও সম্পর্কের বিষয়ে সতর্ক থাকা। হাদিসটি বড় আশা দেয়, তবে সেই আশার সাথে শর্তও জুড়ে দিয়েছে। তাই হজ্জের ফজিলত বুঝতে হলে এই শর্তগুলোও মনে রাখতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জের সময় অশ্লীল কথা ও আচরণ থেকে বাঁচা জরুরি।
- পাপ থেকে বেঁচে হজ্জ করলে বড় ক্ষমার আশা করা যায়।
- হজ্জ শুধু বাহ্যিক কাজ নয়; চরিত্র ও আচরণের পরীক্ষাও।
