২৪/৭৯. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৮২১ - ইহরামে শিকারের গোশত গ্রহণের বিধান

মুহরিমের জন্য যে শিকার করা পশুর গোশত আহার করা অবৈধ

ইহরামে শিকারের গোশত: মুহরিমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৮২১

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَفَّانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا قَيْسُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عَطَاءٍ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ، قَالَ لِزَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ: مَا عَلِمْتَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، «أُهْدِيَ لَهُ عُضْوُ صَيْدٍ، وَهُوَ مُحْرِمٌ فَلَمْ يَقْبَلْهُ»، قَالَ: نَعَمْأَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: سَمِعْتُ يَحْيَى، وَسَمِعْتُ أَبَا عَاصِمٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي الْحَسَنُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَدِمَ زَيْدُ بْنُ أَرْقَمَ فَقَالَ لَهُ ابْنُ عَبَّاسٍ يَسْتَذْكِرُهُ كَيْفَ أَخْبَرْتَنِي عَنْ لَحْمِ صَيْدٍ أُهْدِيَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ حَرَامٌ؟ قَالَ: نَعَمْ، أَهْدَى لَهُ رَجُلٌ عُضْوًا مِنْ لَحْمِ صَيْدٍ فَرَدَّهُ، وَقَالَ: «إِنَّا لَا نَأْكُلُ، إِنَّا حُرُمٌ»

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

'আত্বা (রহঃ) হতে বর্ণিত। ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ)-কে বললেন: আপনার কি জানা আছে যে, নবী (ﷺ)-কে তাঁর মুহরিম অবস্থায় শিকার করা পশুর একটি অংশ উপহার দেয়া হয়েছিল। আর তিনি (ﷺ) তা কবুল করেননি? তিনি বললেন : হ্যাঁ।ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) এলে ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) তাঁকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বললেন, আচ্ছা, আপনার কি মনে আছে যে, আপনি আমাকে অবহিত করেছিলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে মুহরিম অবস্থায় শিকার করা পশুর গোশত উপহার দেয়া হয়েছিল? তিনি বললেন : হ্যাঁ, এক ব্যক্তি তাঁকে শিকারের গোশত উপহার দিয়েছিল। তিনি (ﷺ) তা কবুল করেননি। ফেরত দিয়ে বলেছিলেন যে, আমরা তা আহার করি না, কেননা আমরা মুহরিম অবস্থায় আছি।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৮২১-এর সারসংক্ষেপ

কোর টপিক: ইহরাম শিকার। এই হাদিসে দেখা যায়, নবী صلى الله عليه وسلم মুহরিম অবস্থায় ছিলেন। তখন শিকার করা পশুর একটি অংশ তাঁকে উপহার দেওয়া হয়। তিনি صلى الله عليه وسلم তা গ্রহণ করেননি। দ্বিতীয় বর্ণনায় কথাটি আরও পরিষ্কার হয়েছে: তিনি صلى الله عليه وسلم তা ফেরত দিয়ে বলেছেন, “আমরা তা আহার করি না, কেননা আমরা মুহরিম অবস্থায় আছি।” তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, ইহরাম অবস্থায় শিকারের বিষয়ে খুব সতর্ক থাকা দরকার। এখানে বিষয়টি শুধু খাবার গ্রহণ নয়; বরং ইহরামের সীমা মানা, সন্দেহের জায়গা থেকে দূরে থাকা এবং আল্লাহর বিধানের প্রতি সম্মান দেখানো। “মুহরিম অবস্থায় শিকার” ও “ইহরামে শিকারের গোশত” নিয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস সরাসরি একটি দিকনির্দেশনা দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ইহরাম অবস্থায় শিকার করা পশুর গোশত গ্রহণের বিষয়ে সতর্কতা দরকার।
  • নবী صلى الله عليه وسلم উপহার হলেও তা ফেরত দিয়েছেন, কারণ তিনি মুহরিম ছিলেন।
  • ইবাদতের অবস্থায় নিজের সীমা ও আদব রক্ষা করা জরুরি।
  • সন্দেহজনক বিষয় এলে নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল অনুসরণ করা নিরাপদ পথ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন