২৪/৭৯. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৮২০ - ইহরামে শিকার না খাওয়ার নির্দেশ

মুহরিমের জন্য যে শিকার করা পশুর গোশত আহার করা অবৈধ

ইহরামে শিকার খাওয়া যাবে কি: ওয়াদ্দানের বন্য গাধার হাদিস

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৮২০

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ الصَّعْبِ بْنِ جَثَّامَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَقْبَلَ حَتَّى إِذَا كَانَ بِوَدَّانَ رَأَى حِمَارَ وَحْشٍ فَرَدَّهُ عَلَيْهِ، وَقَالَ: «إِنَّا حُرُمٌ لَا نَأْكُلُ الصَّيْدَ»

স'ব ইবনু জাস্সামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) [মক্কায়] আসার সময় ওয়াদ্দানে পৌঁছে একটি বন্য গাধা দেখতে পেলেন। (গাধার গোশত উপস্থাপন করা হলে) তিনি (ﷺ) তা তাকে ফেরত দিয়ে বললেন : আমরা মুহরিম, আমরা শিকার করা পশু আহার করি না।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৮২০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) মক্কায় আসার পথে ওয়াদ্দানে পৌঁছে একটি বন্য গাধার প্রসঙ্গ আসে। গোশত উপস্থাপন করা হলে তিনি তা ফেরত দেন এবং বলেন, আমরা মুহরিম, আমরা শিকার করা পশু আহার করি না। এই বর্ণনার ভাষা খুব সরাসরি। এখানে মূল বিষয় হলো ইহরাম অবস্থায় শিকার করা পশু খাওয়া থেকে বিরত থাকা। আগের কিছু বর্ণনায় শিকার কে করেছে, কার জন্য করেছে, মুহরিম সাহায্য করেছে কি না—এসব আলাদা দিক আসে। কিন্তু এই নির্দিষ্ট হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর বক্তব্য হলো, মুহরিম অবস্থার কারণে তা খাওয়া হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় এই হাদিসের সরল বক্তব্যকে সামনে রাখতে হবে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মুহরিম অবস্থাকে সামনে রেখে শিকার করা পশু খাওয়া থেকে বিরত থাকার কথা এসেছে।
  • নবী (صلى الله عليه وسلم) গোশত ফিরিয়ে দিয়ে কারণ স্পষ্ট করেছেন।
  • ইহরামের বিধান বুঝতে ঘটনার নির্দিষ্ট শব্দ ও অবস্থা দেখা জরুরি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন