৪/২. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৪০১ - গোসলের পর্দা ও ঈমানের শিক্ষা
গোসলখানায় প্রবেশের অনুমতি
গোসলের পর্দা: ঈমানদারের শালীনতার সহজ শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ৪০১
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৪০১
أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلَا يَدْخُلِ الْحَمَّامَ إِلَّا بِمِئْزَرٍ»
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (ﷺ) হতে বর্ণিত। তিনি (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি এবং কিয়ামত দিবসের প্রতি বিশ্বাস করে, সে যেন লুঙ্গি পরিধান ব্যতীত গোসলখানায় প্রবেশ না করে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৪০১-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: পর্দা। এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) খুব পরিষ্কারভাবে বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও কেয়ামতের দিনে বিশ্বাস করে, সে যেন লুঙ্গি ছাড়া গোসলখানায় প্রবেশ না করে। এখানে গোসলের পর্দা, লজ্জাস্থান ঢেকে রাখা এবং শালীনতা রক্ষার কথা সরাসরি এসেছে। কথাটি শুধু বাহ্যিক পোশাকের নয়; এটি ঈমানের সাথে আচরণের সম্পর্কও দেখায়। একজন মুমিন একা বা সাধারণ জায়গায়, সব অবস্থায় লজ্জা ও পর্দার দিকে খেয়াল রাখে। হাদিসের মূল বার্তা হলো, গোসলের সময়ও নিজেকে ঢেকে রাখা উচিত, বিশেষ করে এমন স্থানে যেখানে অন্যের দৃষ্টি পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই গোসলখানায় লুঙ্গি পরা, পর্দা করা এবং নিজের শরীর ঢেকে রাখা ইসলামী আদবের অংশ হিসেবে বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গোসলখানায় প্রবেশের সময় শরীর ঢেকে রাখা মুমিনের শালীনতার অংশ।
- আল্লাহ ও কেয়ামতের দিনের বিশ্বাস মানুষের আচরণে লজ্জা ও পর্দা আনতে সাহায্য করে।
- গোসলের সময় লুঙ্গি বা ঢাকার ব্যবস্থা রাখা উচিত।
