৫/৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৪৬৪ - বান্দা ও কুফরের মাঝে সালাত ত্যাগ
সলাত পরিত্যাগকারী সম্পর্কে বিধান
সালাত ত্যাগ ও কুফরের সতর্কতা: গুরুত্বপূর্ণ হাদিস
সুনানে আন-নাসায়ী : ৪৬৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৪৬৪
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَيْسَ بَيْنَ الْعَبْدِ وَبَيْنَ الْكُفْرِ إِلَّا تَرْكُ الصَّلَاةِ»
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: সালাত ছেড়ে দেয়া ব্যতীত বান্দা ও কুফরের মাঝে কোন অন্তরায় নেই।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৪৬৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) খুব সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর সতর্কতা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সালাত ছেড়ে দেওয়া ব্যতীত বান্দা ও কুফরের মাঝে কোনো অন্তরায় নেই। অর্থাৎ সালাত ত্যাগ এমন একটি বিষয়, যা একজন বান্দার ঈমানি অবস্থার জন্য বড় বিপদ হয়ে দাঁড়ায়। এই বাণীতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের গুরুত্ব স্পষ্ট। নামাজ একজন মুমিনকে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কের মধ্যে রাখে। যখন কেউ সালাত ছেড়ে দেয়, তখন সে নিজের জন্য খুব ভয়ংকর ক্ষতির দরজা খুলে দেয়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, সালাতকে পরে করব, সময় হলে পড়ব—এভাবে অবহেলা করা ঠিক নয়। বরং সালাতের ব্যাপারে নিয়মিত থাকা, সময়মতো আদায় করা এবং সালাত ত্যাগ থেকে বেঁচে থাকা একজন মুসলিমের জন্য জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত ত্যাগ ঈমানের জন্য বড় বিপদের কারণ।
- নামাজ আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন।
- সালাত নিয়ে অবহেলা করা উচিত নয়।
- এই হাদিস মুসলিমকে নিয়মিত সালাত আদায়ে সতর্ক করে।
