৫/৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৪৬৩ - সালাত ছেড়ে দেওয়ার ভয়াবহ সতর্কতা
সলাত পরিত্যাগকারী সম্পর্কে বিধান
সালাত ছেড়ে দেওয়ার ভয়াবহ পরিণতি নিয়ে হাদিস
সুনানে আন-নাসায়ী : ৪৬৩
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৪৬৩
أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ قَالَ: أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنِ الْحُسَيْنِ بْنُ وَاقِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ الْعَهْدَ الَّذِي بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمِ الصَّلَاةُ، فَمَنْ تَرَكَهَا فَقَدْ كَفَرَ»
বুরাইদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমাদের এবং কাফিরদের মধ্যে পার্থক্যকারী আমল হলো সালাত। যে সালাত ছেড়ে দিল সে কুফ্রী করল।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৪৬৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালাত ত্যাগের বিষয়টি খুব কঠিন ভাষায় বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, আমাদের এবং কাফিরদের মধ্যে পার্থক্যকারী আমল হলো সালাত। যে সালাত ছেড়ে দিল, সে কুফরী করল। হাদিসের ভাষা থেকে বোঝা যায়, সালাত শুধু একটি ভালো কাজ নয়; এটি মুসলিম পরিচয়ের বড় চিহ্ন। একজন মানুষ নিয়মিত সালাত আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর আনুগত্য প্রকাশ করে। আর সালাত ছেড়ে দেওয়া ঈমানের জন্য মারাত্মক বিপদের কারণ। এখানে অন্য কোনো আমলের আলোচনা নেই, তাই ব্যাখ্যাও সালাতের গুরুত্ব ও সালাত ত্যাগের সতর্কতার মধ্যেই সীমিত রাখা উচিত। এই হাদিস একজন মুসলিমকে মনে করিয়ে দেয়, নামাজকে হালকা করে দেখা যাবে না। সালাতের ব্যাপারে সচেতনতা ঈমান রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ দিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত মুসলিম পরিচয়ের বড় নিদর্শন।
- সালাত ছেড়ে দেওয়া সম্পর্কে হাদিসে কঠিন সতর্কতা এসেছে।
- নামাজকে সাধারণ বা হালকা কাজ মনে করা ঠিক নয়।
- ঈমানের নিরাপত্তার জন্য সালাতের ব্যাপারে সতর্ক থাকা দরকার।
