৬/১৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৫২৮ - ইশার সালাতের সময়
শাফাক্ব প্রসঙ্গে
ইশার সালাতের সময়: তৃতীয় রাতের চাঁদ অস্ত যাওয়ার বর্ণনা
সুনানে আন-নাসায়ী : ৫২৮
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৫২৮
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ رَقَبَةَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ إِيَاسٍ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ سَالِمٍ، عَنْ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ قَالَ: أَنَا أَعْلَمُ النَّاسِ بِمِيقَاتِ هَذِهِ الصَّلَاةِ عِشَاءِ الْآخِرَةِ «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّيهَا لِسُقُوطِ الْقَمَرِ لِثَالِثَةٍ»
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি 'ইশার সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে অধিক অবগত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তৃতীয় রাতের চাঁদ অস্ত যাওয়ার সময় 'ইশার সালাত আদায় করতেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৫২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নুমান ইবনু বশীর (রাঃ) বলেন, তিনি ইশার সালাতের সময় সম্পর্কে অধিক অবগত। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তৃতীয় রাতের চাঁদ অস্ত যাওয়ার সময় ইশার সালাত আদায় করতেন। এখানে মূল বিষয় হলো ইশার সালাতের সময়। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু এর শিক্ষা স্পষ্ট। ইশার নামাজ একেবারে মাগরিবের পরপরই নয়; বরং লালিমা চলে যাওয়ার পর থেকে রাতের একটি অংশে আদায় করা হয়—এ ধরনের ধারণার সঙ্গে এই বর্ণনা মিল রাখে। তবে এই হাদিসে শুধু নির্দিষ্ট একটি চিহ্ন বলা হয়েছে: তৃতীয় রাতের চাঁদ অস্ত যাওয়া। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত দাবি না করে বলা যায়, সাহাবীরা আকাশের চিহ্ন দেখেও সালাতের সময় বুঝতেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইশার সালাতের সময় আকাশের চিহ্ন দিয়ে বোঝা যেত।
- তৃতীয় রাতের চাঁদ অস্ত যাওয়ার সময়ের কথা এই বর্ণনায় এসেছে।
- সাহাবীরা সালাতের সময় সম্পর্কে যত্নবান ছিলেন।
- ইশার ওয়াক্ত জানার বিষয়ে হাদিসভিত্তিক জ্ঞান রাখা দরকার।
