৮/২১. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৭১৩ - উটে চড়ে তাওয়াফ ও হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ
মাসজিদে উট প্রবেশ করানো
বিদায় হজে উটে চড়ে তাওয়াফ ও লাঠি দিয়ে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ
সুনানে আন-নাসায়ী : ৭১৩
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৭১৩
أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، عَنِ ابْنِ وَهْبٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَافَ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ عَلَى بَعِيرٍ يَسْتَلِمُ الرُّكْنَ بِمِحْجَنٍ»
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিদায় হজ্জে উটে সওয়ার হয়ে তাওয়াফ করলেন এবং লাঠি দ্বারা হাজরে আসওয়াদকে স্পর্শ করে চুমো দিলেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৭১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় তাওয়াফের পদ্ধতির একটি বিশেষ ঘটনা। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বিদায় হজের সময় উটে সওয়ার হয়ে কাবা তাওয়াফ করেন। তিনি হাতে থাকা বাঁকানো লাঠি দিয়ে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করেন। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত এবং এতে কেন তিনি উটে ছিলেন, কত চক্কর এভাবে দিয়েছেন বা স্পর্শের পর কী বলেছেন—এসব বিস্তারিত নেই। তাই ব্যাখ্যার কেন্দ্র হওয়া উচিত হাদিসে থাকা তথ্যেই। এটি দেখায়, সেই তাওয়াফে তিনি পায়ে হাঁটার বদলে বাহনে ছিলেন এবং সরাসরি হাতে না ছুঁয়ে লাঠির মাধ্যমে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করেছেন। ভিড়, সক্ষমতা বা অন্য কোনো কারণ এই পাঠে স্পষ্ট করা হয়নি। অতএব নির্দিষ্ট ঘটনার বাইরে কারণ নিশ্চিতভাবে বলা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বিদায় হজে উটে সওয়ার হয়ে তাওয়াফ করেছেন।
- তিনি লাঠির সাহায্যে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করেছেন।
- হাদিসে উল্লেখ না থাকা কারণ বা অতিরিক্ত পদ্ধতি নিশ্চিতভাবে যোগ করা উচিত নয়।
