১১/৪৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৯৫২ - ফজরে সূরা ফালাক ও নাস দিয়ে ইমামতি
ফাজরের সলাতে মু‘আব্বিযাতায়ন পড়া
ফজরের সালাতে সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ
সুনানে আন-নাসায়ী : ৯৫২
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৯৫২
أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ حِزَامٍ التِّرْمِذِيُّ، وَهَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَاللَّفْظُ لَهُ قَالَا: حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ قَالَ: أَخْبَرَنِي سُفْيَانُ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنُ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، أَنَّهُ سَأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْمُعَوِّذَتَيْنِ. قَالَ عُقْبَةَ: «فَأَمَّنَا بِهِمَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي صَلَاةِ الْفَجْرِ»
‘উক্ববাহ্ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি নবী (ﷺ)-কে মু'আব্বিযাতায়ন (সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। 'উক্ববাহ্ (রাঃ) বলেন, অতঃপর নবী (ﷺ) সূরা দু'টি দিয়ে আমাদের ফজরের সালাতে ইমামাত করলেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৯৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উকবা ইবনু আমির (রাঃ) নবী صلى الله عليه وسلم-কে মুআউইযাতাইন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। মুআউইযাতাইন বলতে এখানে সূরা ফালাক ও সূরা নাস বোঝানো হয়েছে। এরপর রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم এই দুই সূরা দিয়ে তাঁদের ফজরের সালাতে ইমামতি করেন। তাই সূরা ফালাক ও সূরা নাস নামাজে পড়া যায় কি না—এই প্রশ্নে হাদিসটি সরাসরি একটি আমল দেখায়। বর্ণনায় প্রশ্নের উত্তর শুধু কথায় নয়, সালাতের কিরাআতের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। এতে দুই সূরার গুরুত্বও প্রকাশ পায়, তবে হাদিসে যতটুকু আছে ততটুকুই বলা নিরাপদ। প্রতিদিন ফজরে শুধু এই দুই সূরাই পড়তে হবে—এমন কথা এখানে নেই। মূল শিক্ষা হলো, কুরআনের এই দুই সূরা শেখা, তাদের সঠিকভাবে পাঠ করা এবং নববী আমলের সীমার মধ্যে বিষয়টি বোঝা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুআউইযাতাইন হলো সূরা ফালাক ও সূরা নাস।
- নবী صلى الله عليه وسلم এই দুই সূরা দিয়ে ফজরের সালাতে ইমামতি করেছেন।
- সালাতে সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠের সরাসরি বর্ণনা পাওয়া যায়।
- হাদিসে প্রতিদিন শুধু এ দুই সূরা পড়ার বাধ্যবাধকতা নেই।
