১১/৪৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৯৫৪ - সূরা ফালাক ও নাসের অনন্য আয়াত
মু‘আব্বিযাতায়ন পড়ার ফাযীলাত
সূরা ফালাক ও সূরা নাস নাজিলের বিশেষ হাদিস
সুনানে আন-নাসায়ী : ৯৫৪
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৯৫৪
أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ بَيَانٍ، عَنْ قَيْسٍ، عَنْ عُقْبَةَ بْنُ عَامِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «آيَاتٌ أُنْزِلَتْ عَلَيَّ اللَّيْلَةَ لَمْ يُرَ مِثْلُهُنَّ قَطُّ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ، وَقُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ»
‘উক্ববাহ্ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আজ রাতে আমার ওপর কয়েকটি আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে তার মতো আর কোনো আয়াতই দেখা যায়নি। তা হলো সূরা ফালাক্ব এবং সূরা নাস।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৯৫৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم একটি রাতের ওহির কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সেই রাতে তাঁর ওপর এমন কয়েকটি আয়াত নাজিল হয়েছে, যার মতো আর কোনো আয়াত দেখা যায়নি। এরপর তিনি সূরা ফালাক ও সূরা নাসের নাম উল্লেখ করেন। তাই এই বর্ণনার মূল বিষয় হলো মুআউইযাতাইনের অনন্যতা ও বিশেষ গুরুত্ব। হাদিসটি ছোট হলেও বক্তব্য খুব পরিষ্কার: নবী صلى الله عليه وسلم নিজেই এই দুই সূরার আয়াতকে বিশেষভাবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। এর বাইরে নির্দিষ্ট সংখ্যা, সময় বা নিশ্চিত ফলের প্রতিশ্রুতি এই বর্ণনায় নেই। তাই ব্যাখ্যায় অতিরঞ্জন না করে বলা যায়, সূরা ফালাক ও নাস মনোযোগ দিয়ে শেখা এবং নিয়মিত কুরআন পাঠের অংশ করা মূল্যবান। হাদিসের শব্দের প্রতি সম্মান রেখে এই দুই সূরার মর্যাদা স্বীকার করাই প্রধান শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূরা ফালাক ও সূরা নাসকে নবী صلى الله عليه وسلم বিশেষ আয়াত হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন।
- এই দুই সূরা একই রাতে নাজিল হওয়ার কথা বর্ণনায় এসেছে।
- হাদিসে এদের মতো আয়াত আগে দেখা যায়নি বলা হয়েছে।
- বর্ণনায় না থাকা নির্দিষ্ট ফল বা সংখ্যা যোগ করা উচিত নয়।
