৯/১৮০. অধ্যায়ঃ
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৩/১০০০ - কুরআন শেখা ও শেখানোর মর্যাদা
পবিত্র কুরআন পড়ার ফযীলত
কুরআন শিক্ষা: নিজে শেখা ও অন্যকে শেখানোর শ্রেষ্ঠ আমল
রিয়াদুস সালেহীন : ৩/১০০০
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৩/১০০০
وَعَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ: «خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ». رواه البخاري
‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে নিজে কোরআন শিখে ও অপরকে শিক্ষা দেয়।” (বুখারী)[১]
সহীহুল বুখারী ৫০২৭, ৫০২৮, তিরমিযী ২৯০৭, ২৯০৮, আবূ দাউদ ১৪৫২, ইবনু মাজাহ ২১১, আহমাদ ৫০৭, ৪১৪, ৫০২, দারেমী ৩৩২৮
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৩/১০০০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুরআন শিক্ষা ও শেখানোর মর্যাদা বলা হয়েছে। উসমান ইবনে আফফান (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন—তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে নিজে কুরআন শিখে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়। এখানে কুরআন শেখা ও শেখানো—দুইটি কাজ একসঙ্গে এসেছে। শুধু নিজে জানা নয়, অন্যকে শেখানোর দায়িত্বও গুরুত্ব পেয়েছে। পরিবার, সন্তান, ছাত্র বা আশপাশের মানুষকে কুরআন শেখানো এই হাদিসের আলোকে বড় ভালো কাজ। তবে শর্ত হলো আগে নিজে শিখতে হবে, তারপর ঠিকভাবে শেখাতে হবে। কুরআন শিক্ষা তাই ব্যক্তিগত আমল এবং সমাজের উপকার—দুই দিকেই গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন শেখা মুমিনের বড় মর্যাদার কাজ।
- নিজে শেখার সঙ্গে অন্যকে শেখানোও গুরুত্ব পেয়েছে।
- কুরআন শিক্ষা ব্যক্তিগত আমল ও সামাজিক উপকারের মাধ্যম।
- সঠিকভাবে শিখে অন্যকে শেখানোর চেষ্টা করা উচিত।
