৯/১৮০. অধ্যায়ঃ
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/৯৯৮ - কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত
পবিত্র কুরআন পড়ার ফযীলত
কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত: কিয়ামতের দিনে সুপারিশের আশা
রিয়াদুস সালেহীন : ১/৯৯৮
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১/৯৯৮
عَنْ أَبي أُمَامَةَ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ ﷺ، يَقُولُ: «اقْرَؤُوا القُرْآنَ؛ فَإِنَّهُ يَأتِي يَوْمَ القِيَامَةِ شَفِيعاً لأَصْحَابِهِ». رواه مسلم
আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূল (ﷺ)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, “তোমরা কোরআন মাজীদ পাঠ কর। কেননা, কেয়ামতের দিন কোরআন, তার পাঠকের জন্য সুপারিশ-কারী হিসাবে আগমন করবে।” (মুসলিম) [১]
মুসলিম ৮০৪, আহমাদ ২১৬৪২, ২১৬৫৩, ২১৬৮১, ২১৭১০
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/৯৯৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত খুব সরলভাবে বলা হয়েছে। আবূ উমামা (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে বলতে শুনেছেন—তোমরা কুরআন মাজীদ পাঠ কর; কারণ কিয়ামতের দিন কুরআন তার পাঠকের জন্য সুপারিশকারী হিসেবে আসবে। এখানে কুরআন পড়ার প্রতি সরাসরি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। কুরআন শুধু পড়ার বই নয়; এটি মুমিনের জীবনের সঙ্গী। হাদিসে ‘তার পাঠক’ বলা হয়েছে, তাই কুরআনের সঙ্গে নিয়মিত সম্পর্ক গড়ার কথা বোঝা যায়। তবে ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত দাবি না করে বলা যায়, কুরআন তিলাওয়াত কিয়ামতের দিনে পাঠকের জন্য সুপারিশের কারণ হবে—হাদিসে এই আশাই দেওয়া হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন মাজীদ পাঠ করার সরাসরি নির্দেশ এসেছে।
- কিয়ামতের দিন কুরআন পাঠকের জন্য সুপারিশকারী হবে।
- কুরআনের সঙ্গে নিয়মিত সম্পর্ক রাখা মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- তিলাওয়াতকে অবহেলা না করে জীবনে জায়গা দেওয়া উচিত।
