১৮/২৬৪. অধ্যায়ঃ

রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৩/১৫৬১ - অভিশাপকারীর পরিণতি ও জিহ্বার হেফাজত

নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রাণীকে অভিসম্পাত করা ঘোর নিষিদ্ধ

অভিশাপকারীর পরিণতি: জিহ্বা হেফাজতের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা

রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৩/১৫৬১

وَعَنْ أَبي الدَّردَاءِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ: «لاَ يَكُونُ اللَّعَّانُونَ شُفَعَاءَ، وَلاَ شُهَدَاءَ يَوْمَ القِيَامَةِ». رواه مسلم

আবূ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’অভিসম্পাত-কারীরা কেয়ামতের দিনে না সুপারিশ-কারী হবে, আর না সাক্ষ্য-দাতা।’’ (মুসলিম) [১]

মুসলিম ২৫৯৮, আবূ দাউদ ৪৯০৭, আহমাদ ২৬৯৮১

অনুবাদের উৎস

সংকলক:
মুহিউদ্দীন আবূ যাকারিয়্যা ইয়াহইয়া বিন শারফ আন্‌-নাবাবী (রহ.)
প্রকাশক:
তাওহীদ পাবলিকেশন্স
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৩/১৫৬১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) অভিশাপ করার ভয়াবহ দিকটি খুব সংক্ষেপে বুঝিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যারা অভিসম্পাত করে, তারা কিয়ামতের দিনে সুপারিশকারী হবে না এবং সাক্ষ্যদাতাও হবে না। এর মানে হলো, মুমিনের মুখ এমন হওয়া উচিত নয় যা বারবার অভিশাপ, বদদোয়া বা কঠোর কথায় ভরে থাকে। ইসলাম জিহ্বা হেফাজতকে বড় বিষয় হিসেবে দেখে। একজন মুসলিমের কথা যেন অন্যকে কষ্ট না দেয়, বরং ভালো পথে ডাকে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, রাগের সময়ও মুখ সামলে চলা দরকার। কারণ অভিশাপ শুধু একটি কথা নয়; এটি মানুষের আখিরাতের মর্যাদার সাথে জড়িত একটি গুরুতর বিষয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • অভিশাপ করা মুমিনের ভাষার সাথে মানানসই নয়।
  • কিয়ামতের দিনের মর্যাদার কথা মনে রেখে জিহ্বা সংযত রাখা দরকার।
  • রাগের সময় অভিশাপ বা বদদোয়া থেকে নিজেকে আটকানো উচিত।
  • মুখের কথা মানুষের আখিরাতের অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন