৭/১৫৬. অধ্যায়ঃ
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৩/৯৩৯ - জানাযায় তিন কাতারের ফজিলত
জানাযায় নামাযীর সংখ্যা বেশি হওয়া এবং তাদের তিন অথবা ততোধিক কাতার করা উত্তম
জানাযায় তিন কাতার করার ফজিলত ও শিক্ষা
রিয়াদুস সালেহীন : ৩/৯৩৯
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৩/৯৩৯
وَعَنْ مَرثَدِ بنِ عَبدِ اللهِ اليَزَنِيِّ، قَالَ: كَانَ مَالِكُ بنُ هُبَيْرَةَ رضي الله عنه إِذَا صَلَّى عَلَى الجَنَازَةِ، فَتَقَالَّ النَّاس عَلَيْهَا، جَزَّأَهُمْ عَلَيْهَا ثَلاَثَةَ أَجْزَاءٍ، ثُمَّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ : مَنْ صَلَّى عَلَيْهِ ثَلاَثَةُ صُفُوفٍ فَقَدْ أَوْجَبَ. رواه أَبُو داود والترمذي، وَقَالَ: حديث حسن
মারষাদ ইবনে আব্দুল্লাহ য়্যাযানী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
মালেক ইবনে হুবাইরাহ (রাঃ) যখন (কারো) জানাযার নামায পড়তেন এবং লোকের সংখ্যা কম বুঝতে পারতেন, তখন তিনি তাদেরকে তিন কাতারে বণ্টন করতেন। তারপর তিনি বলতেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’তিন কাতার (লোক) যার জানাযা পড়ল, সে (জান্নাত) ওয়াজেব করে নিল।’’ (আবু দাঊদ, তিরমিযী, হাসান সূত্রে) [১]
আবূ দাউদ ৩১৬৬, তিরমিযী ১০২৮, ইবনু মাজাহ ১৪৯০, আহমাদ ১৬২৮৩
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুহিউদ্দীন আবূ যাকারিয়্যা ইয়াহইয়া বিন শারফ আন্-নাবাবী (রহ.)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৩/৯৩৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মারষাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইয়াযানী বলেন, মালেক ইবনে হুবাইরাহ (রাঃ) যখন জানাযার নামাজ পড়তেন এবং লোক কম দেখতেন, তখন তিনি তাদের তিন কাতারে ভাগ করতেন। এরপর তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কথা বলতেন—যার জানাযা তিন কাতার লোক পড়ল, সে ওয়াজিব করে নিল। এখানে জানাযার কাতার ও জামাআতের একটি ফজিলত এসেছে। বর্ণনায় দেখা যায়, সাহাবী হাদিসের আলোকে মানুষের কাতার সাজাতেন। এই জানাযায় তিন কাতারের হাদিস আমাদের শেখায়, জানাযার নামাজেও শৃঙ্খলা, কাতার এবং মৃতের জন্য সম্মিলিত দোয়ার গুরুত্ব আছে। তবে হাদিসের ভাষার বাইরে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা করা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জানাযার নামাজে কাতার ঠিকভাবে সাজানো একটি গুরুত্বপূর্ণ আদব।
- লোক কম হলে তিন কাতারে ভাগ করার আমল বর্ণনায় এসেছে।
- মৃতের জন্য সম্মিলিতভাবে জানাযার নামাজ পড়ার ফজিলত আছে।
