১/১. অধ্যায়ঃ

সিলসিলা সহিহা হাদিস ২ - লজ্জা-শরম ও নৈতিকতার শিক্ষা

উত্তম চরিত্র, অনুকম্পা ও (আত্মীয়তার) সম্পর্ক বজায় রাখা প্রসংগ

লজ্জা-শরম: নৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা

সিলসিলা সহিহাহাদিস নম্বর ২

আবূ মাসউদ বদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আবূ মাসউদ বদরী (রাঃ) হতে মারফূ সূত্রে বর্ণিত। পূর্ববর্তী নবুওয়াতের বাণীসমূহ হতে মানুষেরা সর্বশেষ যা পেয়েছে তা হলো যখন তোমার লজ্জা-শরম নেই তখন তুমি যা ইচ্ছা তা-ই কর।

ইবনু আকাসীর তাঁর ‘তারীখে দামেশ্‌ক’-এ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। মুনাভী (রহঃ) ‘ফয়যুল ক্কাদীর’ এ বলেনঃ “এর সানাদটি যঈফ। কেননা এর (সানাদে) ফাতহুল মিসরী বর্ণনাকারী যঈফ। কিন্তু এর সাক্ষ্য রয়েছে ইমাম বায়হাক্বী (রহঃ)-এর “শু’আবুল ঈমানে”। তিনি (রহঃ) ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে উক্ত শব্দে বর্ণনা করেছেন। (আস-সহীহাহ-৬৮৪) হাদীসটি সহীহ্‌।

সিলসিলা সহিহা হাদিস ২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে বলা হয়েছে, পূর্ববর্তী নাবুওয়াতের বাণী থেকে মানুষ যে শেষ শিক্ষাটি পেয়েছে, তা হলো—যখন তোমার লজ্জা-শরম নেই, তখন তুমি যা ইচ্ছা তাই কর। কথাটি শুনতে কঠিন মনে হতে পারে, কিন্তু এর ভেতরে বড় সতর্কতা আছে। লজ্জা-শরম মানুষের চরিত্রকে আটকায়, খারাপ কথা ও খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখে। যখন মানুষের মনে লজ্জা থাকে না, তখন সে নিজের কাজের ফল নিয়েও কম ভাবতে পারে। তাই এই হাদিস লজ্জা-শরম, নৈতিকতা এবং চরিত্র গঠনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। হাদিসটি সহীহ বলা হয়েছে। মুসলিম জীবনে লজ্জা মানে দুর্বলতা নয়; বরং এটি খারাপ কাজ থেকে বাঁচার একটি সুন্দর গুণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • লজ্জা-শরম মানুষকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখতে সাহায্য করে।
  • লজ্জা না থাকলে মানুষ নিজের সীমা ভুলে যেতে পারে।
  • নৈতিক জীবন গড়তে চরিত্রের ভেতরের সংযম দরকার।
  • পূর্ববর্তী নাবুওয়াতের শিক্ষাতেও লজ্জার গুরুত্ব ছিল।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন