ইহরামের নিয়মাবলি
মোট হাদিস ৭৪৮
ইহরামের নিয়মাবলি ও ইহরাম থেকে হালাল হওয়ার সহীহ হাদিস
ইহরামের নিয়মাবলি সম্পর্কিত এই সহীহ হাদিসগুলো থেকে আমরা হজ্জ ও উমরার ইহরাম পরিধান এবং তা থেকে মুক্ত বা হালাল হওয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়মাবলি জানতে পারি। বিদায় হজ্জের সময় রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের ইহরামের সঠিক নিয়ম শিখিয়েছিলেন। হযরত আলী (রা.) এবং আবু মুসা আশআরি (রা.) যখন দূর থেকে মক্কায় আসেন, তখন তাঁরা সুনির্দিষ্টভাবে কোনো প্রকার উল্লেখ না করে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নিয়তের মতোই ইহরামের নিয়ত করেছিলেন। নবীজি (সা.) নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, যেসব সাহাবির সাথে কুরবানির পশু নেই, তারা যেন বায়তুল্লাহর তওয়াফ এবং সাফা-মারওয়া সাঈ করার পর মাথার চুল কেটে বা ছোট করে ইহরাম খুলে সম্পূর্ণ হালাল হয়ে যান এবং তাদের হজ্জের ইহরামকে উমরায় পরিণত করেন। অন্যদিকে, যাদের সাথে কুরবানির পশু রয়েছে, তারা কুরবানি সম্পন্ন করার আগে ইহরাম মুক্ত হতে পারবেন না। স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং হযরত আলী (রা.)-এর সাথে কুরবানির পশু থাকায় তারা কুরবানি দেওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ইহরাম অবস্থায় বহাল ছিলেন। এমনকি উম্মুল মুমিনীন হাফসা (রা.) যখন রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে তাঁর ইহরাম না খোলার কারণ জিজ্ঞেস করেন, তখন নবীজি জানান যে তিনি নিজের মাথার চুল জমাটবদ্ধ করেছেন এবং কুরবানির পশুর গলায় মালা বেঁধেছেন, তাই কুরবানি না দেওয়া পর্যন্ত তিনি হালাল হতে পারবেন না। ইসলামিক স্কলারদের মতে, এই বিবরণগুলো আমাদের হজ্জ ও উমরার ইহরামের সঠিক পদ্ধতি ও বিধান বুঝতে সরাসরি সাহায্য করে।
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ صَلَّى النَّبِيُّ ﷺ بِالْمَدِينَةِ الظُّهْرَ أَرْبَعًا وَالْعَصْرَ بِذِي الْحُلَيْفَةِ رَكْعَتَيْنِ وَسَمِعْتُهُمْ يَصْرُخُونَ بِهِمَا جَمِيعًا
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) যোহরের সালাত মদীনায় চার রাক’আত আদায় করলেন এবং ‘আসরের সালাত যুল-হুলাইফায় দু’রাক’আত আদায় করেন। আমি শুনতে পেলাম তাঁরা সকলে উচ্চৈঃস্বরে হজ্জ ও ‘উমরাহ’র তালবিয়া পাঠ করছেন [৫৫]।
[১] ইহ্রাম ব্যতীত অন্য কোন ইবাদাতে মৌখিক নিয়তে শব্দ উচ্চারণ করা শরীয়তে বৈধ নয়। কেননা কেবল ইহরামের সময়ই নবী (ﷺ) থেকে ওভাবে মুখে নিয়ত উচ্চারণ করার কথা বর্ণিত আছে। অবশ্য তা প্রচলিত নাওয়াইতু আন...... বলে গদ বাধা নিয়মে নয়।
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللهِ ﷺ وَنَحْنُ مَعَهُ بِالْمَدِينَةِ الظُّهْرَ أَرْبَعًا وَالْعَصْرَ بِذِي الْحُلَيْفَةِ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ بَاتَ بِهَا حَتَّى أَصْبَحَ ثُمَّ رَكِبَ حَتَّى اسْتَوَتْ بِهِ عَلَى الْبَيْدَاءِ حَمِدَ اللهَ وَسَبَّحَ وَكَبَّرَ ثُمَّ أَهَلَّ بِحَجٍّ وَعُمْرَةٍ وَأَهَلَّ النَّاسُ بِهِمَا فَلَمَّا قَدِمْنَا أَمَرَ النَّاسَ فَحَلُّوا حَتَّى كَانَ يَوْمُ التَّرْوِيَةِ أَهَلُّوا بِالْحَجِّ قَالَ وَنَحَرَ النَّبِيُّ بَدَنَاتٍ بِيَدِهِ قِيَامًا وَذَبَحَ رَسُولُ اللهِ ﷺ بِالْمَدِينَةِ كَبْشَيْنِ أَمْلَحَيْنِقَالَ أَبُو عَبْد اللهِ قَالَ بَعْضُهُمْ هَذَا عَنْ أَيُّوبَ عَنْ رَجُلٍ عَنْ أَنَسٍ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) আমাদেরকে নিয়ে মদীনায় যুহরের সালাত আদায় করেন চার রাক’আত এবং যুল-হুলাইফায় (পৌঁছে) ‘আসরের সালাত আদায় করেন দু’ রাক’আত। এরপর সেখানেই ভোর পর্যন্ত রাত কাটালেন। সকালে সওয়ারীতে আরোহণ করে বায়দা নামক স্থানে উপনীত হলেন। তখন তিনি আল্লাহ্র হামদ, তাসবীহ ও তাকবির পাঠ করছিলেন।এরপর তিনি হজ্জ ও ‘উমরাহ’র তালবিয়া পাঠ করলেন। সাহাবীগণ উভয়ের তালবিয়া পাঠ করলেন। যখন আমরা (মক্কার উপকন্ঠে) পৌঁছলাম তখন তিনি সাহাবীগণকে (‘উমরা শেষ করে) হালাল হওয়ার নির্দেশ দিলেন এবং তাঁরা হালাল হয়ে গেলেন। অবশেষে যিলহজ্জ মাসের আট তারিখে তাঁরা হজ্জের ইহ্রাম বাঁধলেন। রাবী বলেন, নবী (ﷺ) নিজ হাতে কিছু সংখ্যক উট দাঁড়ানো অবস্থায় নহর (যবেহ্) করলেন। আর আল্লাহর রাসূল (ﷺ) মদীনায় সাদা কাল মিশ্রিত রঙ-এর দু’টি মেষ যবেহ্ করেছিলেন।
আবূ ‘আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) (রহঃ) বলেন, কোন কোন রাবী হাদীসটি আইয়ূব (রহঃ) সূত্রে জনৈক রাবীর মাধ্যমে আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত বলে উল্লেখ করেছেন।
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ ﷺ الظُّهْرَ بِالْمَدِينَةِ أَرْبَعًا وَصَلَّى الْعَصْرَ بِذِي الْحُلَيْفَةِ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ بَاتَ بِذِي الْحُلَيْفَةِ حَتَّى أَصْبَحَ فَلَمَّا رَكِبَ رَاحِلَتَهُ وَاسْتَوَتْ بِهِ أَهَلَّ .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মদিনায় যুহরের চার রাক‘আত সালাত আদায় করেন এবং যুলহুলাইফায় পৌঁছে ‘আসরের সালাত আদায় করেন দুই রাক‘আত। তিনি সেখানেই রাত যাপন করেন এবং সকালে সওয়ারীতে চড়ে সফর শুরু করার সময় ‘তালবিয়া’ পাঠ করেন।
[১৭৭৩]
حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ بَاتَ بِهَا - يَعْنِي بِذِي الْحُلَيْفَةِ - حَتَّى أَصْبَحَ ثُمَّ رَكِبَ حَتَّى إِذَا اسْتَوَتْ بِهِ عَلَى الْبَيْدَاءِ حَمِدَ اللَّهَ وَسَبَّحَ وَكَبَّرَ ثُمَّ أَهَلَّ بِحَجٍّ وَعُمْرَةٍ وَأَهَلَّ النَّاسُ بِهِمَا فَلَمَّا قَدِمْنَا أَمَرَ النَّاسَ فَحَلُّوا حَتَّى إِذَا كَانَ يَوْمُ التَّرْوِيَةِ أَهَلُّوا بِالْحَجِّ وَنَحَرَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ سَبْعَ بَدَنَاتٍ بِيَدِهِ قِيَامًا. قَالَ أَبُو دَاوُدَ الَّذِي تَفَرَّدَ بِهِ - يَعْنِي أَنَسًا - مِنْ هَذَا الْحَدِيثِ أَنَّهُ بَدَأَ بِالْحَمْدِ وَالتَّسْبِيحِ وَالتَّكْبِيرِ ثُمَّ أَهَلَّ بِالْحَجِّ .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) যুল-হুলাইফাতে রাত যাপন করেন। অতঃপর সকালে সওয়ারীতে আরোহণ করে বায়দা নামক স্থানে পৌঁছে আল্লাহর প্রশংসা ও তাসবীহ পাঠ করলেন এবং তাকবির দিলেন। তারপর তিনি হজ্জ ও উমরাহর ‘তালবিয়া’ পাঠ করলে লোকেরা ও হজ্জ ও উমরাহর জন্য তালবিয়া পড়ে। পরে আমরা মক্কায় পৌঁছলে তাঁর নির্দেশ মোতাবেক লোকেরা তাদের ইহরাম খুলে ফেলে। অতঃপর (অষ্টম তারিখ) ‘তারবিয়ার’ দিনে সবাই হজ্জের জন্য তালবিয়া পড়লো। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কুরবানীর দিন সাতটি উট দাঁড়ানো অবস্থায় নিজ হাতে কুরবানী করেছেন।আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটি আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, তার ভাষা হলো : “তিনি (ﷺ) আল্লাহর প্রশংসা, গুনগান ও তাকবির পাঠের পর হজ্জের ইহরাম বেঁধেছেন।
[১৭৯৬]
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ احْتَجَمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ عَلَى ظَهْرِ الْقَدَمِ مِنْ وَجَعٍ كَانَ بِهِ. قَالَ أَبُو دَاوُدَ سَمِعْتُ أَحْمَدَ قَالَ ابْنُ أَبِي عَرُوبَةَ أَرْسَلَهُ يَعْنِي عَنْ قَتَادَةَ.
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ব্যথার কারণে ইহরাম অবস্থায় তাঁর পায়ের উপরিভাগে রক্তমোক্ষণ করিয়েছেন। ইবনু আবূ আরুবাহ (রহঃ) ক্বাতাদাহ (রহঃ) হতে এটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন।
[১৮৩৭]
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ ﷺ ـ قَالَ " لَبَّيْكَ بِعُمْرَةٍ وَحَجَّةٍ ".
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বললেনঃ “আমি উমরা ও হজের উদ্দেশ্যে আপনার দরবারে হাজির হচ্ছি”।
[২৯৬৯] সহীহুল বুখারী ১৫৫১, ১৫৫৮, ১৭১৫, ৪৩৫৪, ১২৩২, ১২৫১, তিরমিযী ৮২১, ৯৫৬, নাসায়ী ২৭২৯, ২৭৩০, ২৭৩১, আবূ দাউদ ১৭৯৫, ১৭৯২, আহমাদ ১৩৩৯৫, ১৩৪১৯, দারেমী ১৯২৪, সহীহ আবু দাউদ ১৫৭৫, ১৫৭৬। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
وَحَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ بَكْرٍ، عَنْ أَنَسٍ، - رضى الله عنه - قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُلَبِّي بِالْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ جَمِيعًا . قَالَ بَكْرٌ فَحَدَّثْتُ بِذَلِكَ ابْنَ عُمَرَ فَقَالَ لَبَّى بِالْحَجِّ وَحْدَهُ . فَلَقِيتُ أَنَسًا فَحَدَّثْتُهُ بِقَوْلِ ابْنِ عُمَرَ فَقَالَ أَنَسٌ مَا تَعُدُّونَنَا إِلاَّ صِبْيَانًا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لَبَّيْكَ عُمْرَةً وَحَجًّا " .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (ﷺ)-কে একত্রে হজ ও ‘উমরার তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি। (অধঃস্তন রাবী) বাক্র বলেন, আমি এ হাদীস ইবনু ‘উমর (রাঃ)-এর কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হজের তালবিয়াহ্ পাঠ করেছেন। অতঃপর আমি (বাক্র) আনাস (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁর কাছে ইবনু ‘উমর (রাঃ)-এর বক্তব্য উল্লেখ করি। তখন আনাস (রাঃ) বললেন, তোমরা আমাদেরকেও শিশুই মনে কর। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে একত্রে হজ ও ‘উমরার তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি।
ই.ফা. ২৮৬১, ই.সে. ২৮৬০
وَحَدَّثَنِي أُمَيَّةُ بْنُ بِسْطَامَ الْعَيْشِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ زُرَيْعٍ - حَدَّثَنَا حَبِيبُ، بْنُ الشَّهِيدِ عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا أَنَسٌ، رضى الله عنه أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَمَعَ بَيْنَهُمَا بَيْنَ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ قَالَ فَسَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ فَقَالَ أَهْلَلْنَا بِالْحَجِّ . فَرَجَعْتُ إِلَى أَنَسٍ فَأَخْبَرْتُهُ مَا قَالَ ابْنُ عُمَرَ فَقَالَ كَأَنَّمَا كُنَّا صِبْيَانًا .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি নবী (ﷺ)-কে একত্রে হজ ও উমরাহ আদায় করতে দেখেছেন। রাবী বলেন, আমি ইবনু ‘উমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমরা শুধু হজের ইহরাম বেঁধেছি। আমি (বাক্র) পুনরায় আনাস (রাঃ)-এর নিকট ফিরে আসি এবং ইবনু ‘উমর (রাঃ) যা বলেছেন, সে সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করলাম। আনাস (রাঃ) বললেন, আমরা বুঝি তখন শিশু ছিলাম!
ই.ফা. ২৮৬২, ই.সে. ২৮৬১ [২০]
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ إِسْمَعِيلَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: «نَهَى النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَتَزَعْفَرَ الرَّجُلُ»
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) পুরুষের জন্য জাফরান ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন।
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «نَهَى عَنِ التَّزَعْفُرِ» قَالَ حَمَّادٌ: يَعْنِي لِلرِّجَالِ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জাফরান ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। হাম্মাদ (রহঃ) বলেন: পুরুষদের জন্য।
