৩/৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ আত-তারগিব ওয়াত তাহরিব হাদিস ৯৭ - কুরআন জানার মর্যাদা
ওলামাগণকে সম্মান, মর্যাদা ও শ্রদ্ধা দেয়ার প্রতি উদ্ধৃদ্ধ করণ ও তাদেরকে অসম্মান করা ও তাদেরকে পরওয়া না করার প্রতি ভীতি প্রদর্শনঃ
কুরআন জানার মর্যাদা: ওহুদের শহীদদের দাফনের শিক্ষা
সহীহ আত-তারগিব ওয়াত তাহরিব : ৯৭
সহীহ আত-তারগিব ওয়াত তাহরিবহাদিস নম্বর ৯৭
(صحيح) عن جابر رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَجْمَعُ بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ مِنْ قَتْلَى أُحُدٍ يعني فِيْ القَبْرِ ثُمَّ يَقُولُ أَيُّهُماَ أَكْثَرُ أَخْذًا لِلْقُرْآنِ فَإِذَا أُشِيرَ لَهُ إِلَى أَحَدِهِمَا قَدَّمَهُ فِي اللَّحْدِ.رواه البخاري
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ওহুদ যুদ্ধে শহীদদেরকে কবর দেয়ার সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দু’ব্যক্তিকে একসাথে রাখছিলেন এবং বলছিলেনঃ “দু’জনের মধ্যে কে বেশি কোরআন জানত? যখন কোন এক ব্যক্তিকে ইঙ্গিত করা হত, তখন তাকে প্রথমে কবরে রাখতেন।”
(হাদীসটি বর্ণনা করেছেন বুখারী)
সহীহ আত-তারগিব ওয়াত তাহরিব হাদিস ৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ওহুদ যুদ্ধের শহীদদের দাফনের সময়ের একটি ঘটনা এসেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুজন শহীদকে একসাথে কবরে রাখার সময় জিজ্ঞেস করতেন, দুজনের মধ্যে কে বেশি কুরআন জানত। যখন একজনের দিকে ইঙ্গিত করা হতো, তাঁকে কবরে আগে রাখা হতো। এখানে কুরআন জানার মর্যাদা খুব পরিষ্কার। এমনকি দাফনের মতো অবস্থাতেও কুরআনের জ্ঞানকে সম্মানের কারণ করা হয়েছে। এই হাদিস আমাদের কুরআন শেখা, পড়া, মুখস্ত করা এবং তা জীবনে গুরুত্ব দেওয়ার দিকে উৎসাহ দেয়। তবে শিক্ষা হাদিসের সীমার মধ্যেই: বেশি কুরআন জানা সম্মানের বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন জানা ব্যক্তির সম্মান হাদিসে স্পষ্ট হয়েছে।
- ওহুদের শহীদদের দাফনে কুরআনজ্ঞানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
- কুরআন শেখা ও সংরক্ষণ করা মর্যাদাপূর্ণ কাজ।
- দ্বীনি জ্ঞান মানুষের সম্মানের কারণ হতে পারে।
