৯/৩৪. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১১২৯ - দুই বোনকে একসঙ্গে স্ত্রী রাখা নিষিদ্ধ
কোন লোক তার অধীনে দুই বোন স্ত্রী থাকাবস্থায় মুসলমান হলে
দুই বোনকে একসঙ্গে বিয়ে নয়: একজনকে বেছে নেওয়ার নির্দেশ
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১১২৯
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১১২৯
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ أَبِي وَهْبٍ الْجَيْشَانِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ فَيْرُوزَ الدَّيْلَمِيَّ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ ﷺ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَسْلَمْتُ وَتَحْتِي أُخْتَانِ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «اخْتَرْ أَيَّتَهُمَا شِئْتَ».
ইবনু ফাইরূয আদ-দাইলামী (রহঃ) হতে তার পিতা হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি এবং আমার অধীনে দুই বোন স্ত্রী হিসেবে আছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ দু'জনের মধ্যে যাকে ভালো লাগে তাকে বেছে নাও।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১১২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে এসে জানান, তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছেন এবং তার অধীনে দুই বোন স্ত্রী হিসেবে আছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাকে বলেন, দুজনের মধ্যে যাকে ইচ্ছা তাকে বেছে নিতে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, দুই বোনকে একই সময়ে স্ত্রী হিসেবে রাখা ইসলামের বৈবাহিক সীমার সঙ্গে মেলে না। লোকটির আগের অবস্থা ইসলাম গ্রহণের আগে তৈরি হয়েছিল, কিন্তু ইসলাম গ্রহণের পর তাকে সেই অবস্থা সংশোধন করতে বলা হয়। হাদিসে একজনকে বেছে নেওয়ার নির্দেশ আছে; অন্যজনের বিষয়ে অতিরিক্ত প্রক্রিয়া বা বিস্তারিত এখানে বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় শুধু স্পষ্ট বক্তব্যের মধ্যেই থাকা উচিত। মূল শিক্ষা হলো, ইসলাম গ্রহণ বা ইসলামী বিধান জানার পর এমন সম্পর্ক অব্যাহত রাখা যাবে না, যা নববী নির্দেশের বিরোধী। বিয়ের ক্ষেত্রে আত্মীয়তার সম্পর্ক জানা এবং শরিয়তের সীমা মানা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুই বোনকে একই সময়ে স্ত্রী হিসেবে রাখা যাবে না।
- ইসলাম গ্রহণের পর আগের বৈবাহিক অবস্থা সংশোধন করতে হয়।
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) একজনকে বেছে রাখতে বলেছেন।
- বিয়ের আগে আত্মীয়তার সম্পর্ক যাচাই করা দরকার।
