২০/২৫. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৬৬২ - শহীদের মর্যাদার সমর্থিত বর্ণনা
শহীদের সওয়াব
শহীদের মর্যাদা সম্পর্কে একই অর্থের আরেকটি সহিহ বর্ণনা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১৬৬২
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৬৬২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ نَحْوَهُ بِمَعْنَاهُ. قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ.
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
মুহাম্মদ ইবনু বাশ্শার- মুহাম্মদ ইবনু জাফর হতে, তিনি শুবা হতে, তিনি কাতাদা হতে, তিনি আনাস (রাঃ)-এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে একইরকম বর্ণনা করেছেন।
আবূ ঈসা (রহঃ) এ হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৬৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি আগের হাদিসের একই অর্থ অন্য একটি বর্ণনাসূত্রে তুলে ধরেছে। এখানে নতুন কোনো ঘটনা, নতুন শর্ত বা আলাদা পুরস্কারের কথা যোগ করা হয়নি। মূল শিক্ষা আগের মতোই শহীদের মর্যাদাকে কেন্দ্র করে। অর্থাৎ, জান্নাতে আল্লাহর দেওয়া সম্মান দেখে শহীদ আবার দুনিয়ায় ফিরে আল্লাহর পথে জীবন দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা করবে। বর্ণনায় মুহাম্মদ ইবন বাশার, মুহাম্মদ ইবন জাফর, শুবা, কাতাদা ও আনাস রাঃ-এর সূত্র উল্লেখ করা হয়েছে। হাদিসটি একই বক্তব্যের আরেকটি বর্ণনা হওয়ায় পাঠকের কাছে মূল শিক্ষার গুরুত্ব আরও পরিষ্কার হয়। আবু ঈসা এটিকে হাসান সহিহ বলেছেন। তাই শহীদের ফজিলত ও জান্নাতে শহীদের সম্মান বিষয়ে এই বর্ণনা আগের বক্তব্যকে সমর্থনকারী একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র হিসেবে ধরা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই হাদিসের অর্থ ভিন্ন বর্ণনাসূত্রেও এসেছে।
- বর্ণনাটি শহীদের বিশেষ মর্যাদার কথাই পুনরায় নিশ্চিত করে।
- এখানে আগের বক্তব্যের বাইরে নতুন কোনো শর্ত বা ঘটনা যোগ করা হয়নি।
