২৩/২৭. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৮২৯ - গোশত খাওয়ার পর ওজু
ভুনা গোশত (কাবাব) খাওয়া
গোশত খাওয়ার পর কি ওজু করতে হয়: ভুনা গোশতের হাদিস
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১৮২৯
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৮২৯
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزَّعْفَرَانِيُّ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، أَنَّ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ أَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا، قَرَّبَتْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ ﷺ جَنْبًا مَشْوِيًّا فَأَكَلَ مِنْهُ ثُمَّ قَامَ إِلَى الصَّلاَةِ وَمَا تَوَضَّأَ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ وَالْمُغِيرَةِ وَأَبِي رَافِعٍ. قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ.
উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি (ছাগলের) পাঁজরের ভুনা গোশত রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সামনে রাখলেন। তিনি তা হতে খেলেন, তারপর নামাজে দাঁড়িয়ে গেলেন কিন্তু (আবার) ওজু করেননি।
আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস, মুগীরা ও আবূ রাফি (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ এবং এই সনদসূত্রে গারীব বলেছেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৮২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উম্মু সালামা (রাঃ) একটি সরাসরি ঘটনা বর্ণনা করেছেন। তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সামনে ছাগলের পাঁজরের ভুনা গোশত রাখেন। নবী صلى الله عليه وسلم তা থেকে খান, এরপর নামাজের জন্য দাঁড়িয়ে যান এবং নতুন করে ওজু করেননি। তাই “গোশত খেলে ওজু ভাঙে কি” বা “রান্না করা খাবার খেয়ে ওজু” প্রশ্নের সঙ্গে এই হাদিসটি সম্পর্কিত। বর্ণনায় বিশেষভাবে ভুনা গোশতের কথা আছে এবং তারপর নামাজে দাঁড়ানোর ঘটনাও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। এখানে লক্ষ্য রাখতে হবে, হাদিসটি নতুন ওজু না করার ঘটনা জানায়; নামাজের অন্য শর্ত বা সব ধরনের খাদ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে না। ব্যাখ্যায় উটের গোশত বা অন্য আলাদা মাসআলা টেনে আনা এই পাঠের সীমার বাইরে হবে। মূল শিক্ষা হলো, এই ঘটনায় রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم ছাগলের ভুনা গোশত খাওয়ার পর পুনরায় ওজু না করেই নামাজে দাঁড়িয়েছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ছাগলের ভুনা গোশত খাওয়ার পর রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم নতুন ওজু করেননি।
- হাদিসটি রান্না করা গোশতের পর ওজু বিষয়ে একটি প্রত্যক্ষ আমল তুলে ধরে।
- এই বর্ণনার সঙ্গে ভিন্ন প্রাণী বা আলাদা মাসআলা মিশিয়ে ফেলা উচিত নয়।
