২৩/৩৭. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৮৪৪ - শসা ও তাজা খেজুর খাওয়ার নববী অভ্যাস
শসা খেজুরের সাথে একত্রে খাওয়া
শসা ও খেজুর একসঙ্গে খাওয়া: নবীজির সুন্নাহভিত্তিক খাদ্যাভ্যাস
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১৮৪৪
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৮৪৪
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُوسَى الْفَزَارِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَأْكُلُ الْقِثَّاءَ بِالرُّطَبِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ .
'আবদুল্লাহ ইবনু জা'ফার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) শসা খেজুরের সাথে একত্রে খেতেন।
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ গারীব বলেছেন। আমরা এ হাদীসটি শুধু ইবরাহীম ইবনু সা’দের সূত্রে জেনেছি।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৮৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় শসা ও তাজা খেজুর খাওয়া। আবদুল্লাহ ইবন জাফর (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, নবী صلى الله عليه وسلم শসা খেজুরের সঙ্গে একত্রে খেতেন। শসা ও খেজুরের হাদিসটি তাঁর দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের একটি ছোট কিন্তু স্পষ্ট ছবি তুলে ধরে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, বৈধ ও পরিচিত বিভিন্ন খাবার একসঙ্গে গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে হাদিসে এ সমন্বয়কে ফরজ, ওয়াজিব বা সবার জন্য প্রয়োজনীয় বলা হয়নি। একইভাবে এটি খেলে নির্দিষ্ট রোগ সেরে যাবে বা বিশেষ দৈহিক ফল নিশ্চিত হবে—এমন কথাও এখানে নেই। নবীজির প্রতি ভালোবাসা থেকে কেউ এই খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করতে পারেন। মূল পাঠের প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে হলে শুধু এটুকুই বলা উচিত যে তিনি শসা ও তাজা খেজুর একসঙ্গে খেয়েছেন। খাবার সম্পর্কে অযথা কুসংস্কার বা ভিত্তিহীন নিষেধ তৈরি না করাও একটি প্রাসঙ্গিক শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم শসা ও তাজা খেজুর একত্রে খেতেন।
- বৈধ খাবারের বিভিন্ন সমন্বয় গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
- এ অভ্যাসকে বাধ্যতামূলক বিধান বা নিশ্চিত চিকিৎসা হিসেবে বলা ঠিক নয়।
