২৫/২৭. অধ্যায়ঃ

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৯৪১ - মুমিনকে কষ্ট দেওয়ার ভয়াবহতা

বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণা

মুমিনকে কষ্ট দেওয়া কেন গুরুতর অন্যায়

জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৯৪১

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ الْعُكْلِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ الْكِنْدِيُّ، حَدَّثَنَا فَرْقَدٌ السَّبَخِيُّ، عَنْ مُرَّةَ بْنِ شَرَاحِيلَ الْهَمْدَانِيِّ، وَهُوَ الطَّيِّبُ - عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " مَلْعُونٌ مَنْ ضَارَّ مُؤْمِنًا أَوْ مَكَرَ بِهِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ.

আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন মুমিনের ক্ষতিসাধন করে অথবা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে সে অভিশপ্ত।

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৯৪১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসের মূল বিষয় হলো মুমিনের অধিকার ও নিরাপত্তা। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের ক্ষতি করে অথবা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে, সে অভিশপ্ত। এখানে ক্ষতি করা বলতে কথায়, কাজে বা পরিকল্পিতভাবে কারও ক্ষতি করার চেষ্টা বোঝা যায়, যতটুকু হাদিসের ভাষায় এসেছে। ইসলামে একজন মুমিনের সম্মান, জান-মাল ও নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ। তাই কারও বিরুদ্ধে গোপনে চালাকি করা, ফাঁদ পাতা বা অন্যায়ভাবে তাকে বিপদে ফেলা এই শিক্ষার বিপরীত। হাদিসটি আমাদের সতর্ক করে যে সম্পর্কের ভেতরে বিশ্বাসঘাতকতা নয়, বরং নিরাপদ ও সৎ আচরণ থাকা উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কোনো মুমিনের ক্ষতি করা থেকে নিজেকে বাঁচাতে হবে।
  • কারও বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা ইসলামী চরিত্রের সঙ্গে মানায় না।
  • মুসলিম সমাজে নিরাপত্তা ও ভরসা রক্ষা করা জরুরি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন