২৫/৪৬. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৯৭২ - মিথ্যা কথার অপছন্দনীয়তা
সত্য ও মিথ্যা প্রসঙ্গে
মিথ্যা কথা: অপছন্দনীয় চরিত্র থেকে বাঁচার শিক্ষা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১৯৭২
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৯৭২
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى، قَالَ قُلْتُ لِعَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ هَارُونَ الْغَسَّانِيِّ حَدَّثَكُمْ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي رَوَّادٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ «إِذَا كَذَبَ الْعَبْدُ تَبَاعَدَ عَنْهُ الْمَلَكُ مِيلاً مِنْ نَتْنِ مَا جَاءَ بِهِ» . قَالَ يَحْيَى فَأَقَرَّ بِهِ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ هَارُونَ فَقَالَ نَعَمْ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ تَفَرَّدَ بِهِ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ هَارُونَ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন বান্দা যখন মিথ্যা কথা বলে তখন তার মিথ্যা কথনের দুর্গন্ধের কারণে ফেরেশতা এক মাইল (বা দৃষ্টি সীমার বাইরে) দূরে সরে যায়।
ইয়াহইয়া বলেনঃ আবদুর রহীম ইবনু হারূন কি তার স্বীকারোক্তি করেছেন? আবদুর রহীম ইবনু হারূন তা স্বীকার করে বলেন, হ্যাঁ। আবূ ঈসা (রহঃ) বলেছেন, এ হাদীসটি হাসান, উত্তম, গারীব। শুধু উল্লেখিত সূত্রেই আমরা এ হাদীস জেনেছি। এটি আবদুর রহীম ইবনু হারূনের একক রিওয়ায়াত। খুবই দুর্বল, যইফা (১৮২৮)।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৯৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মিথ্যা কথার খারাপ দিক একটি সতর্কতামূলক ভাষায় এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কোনো বান্দা যখন মিথ্যা কথা বলে, তখন তার মিথ্যা কথার দুর্গন্ধের কারণে ফেরেশতা এক মাইল দূরে সরে যায়। অনুবাদে এই বর্ণনাকে খুবই দুর্বল বা যইফ বলা হয়েছে। তাই এই হাদিস থেকে সাবধানতার সঙ্গে শিক্ষা নেওয়া ভালো। মূল শিক্ষা হলো, মিথ্যা কথা মানুষের চরিত্রকে নষ্ট করে এবং এটি অপছন্দনীয় কাজ। মিথ্যা থেকে বাঁচা, সত্য কথা বলা এবং মুখের ভাষা নিয়ন্ত্রণ করা একজন মুসলিমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই বর্ণনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কথাবার্তায় সতর্কতা রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মিথ্যা কথা অপছন্দনীয় চরিত্রের অংশ।
- কথা বলার আগে সত্য-মিথ্যা ভেবে বলা উচিত।
- মুখের ভাষা নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
- দুর্বল বর্ণনা হলে তা বুঝে সতর্কভাবে শিক্ষা নেওয়া উচিত।
